সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ জানুয়ারিঃ কাতলা মাছ খেতে ভালবাসেন না এমন বাঙালি খুব কমই দেখা যায়। ঝোল হোক কিংবা পাতুরি হোক বা ফিশ ফ্রাই— নানা ভাবেই বাঙালির মন জয় করেছে কাতলা মাছ। কাতলা মাছ মানেই কি মালাইকারি? অথবা কালিয়া? সেই দস্তুর ভেঙে এবার স্বাদ বদলাতে বানিয়ে ফেলুন ক্ষীরোদ কাতলা। কাতলা মাছের স্বাদ চেটেপুটে নিতে খুব সামান্য কিছু উপকরণ দিয়েই বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন ক্ষীরোদ কাতলা। পোলাও কিংবা ফ্রায়েড রাইসের একেবারে জমে যাবে ক্ষীরোদ কাতলা। বাড়ির বড়ো থেকে ছোট,একেবারে চেটেপুটে খাবে ক্ষীরোদ কাতলা। ক্ষীরোদ কাতলা বানানোর জন্য রইল খুব সহজ একটি রেসিপি-

উপকরণ
কাতলা মাছ-৫ পিস
নারকেলের দুধ-৩ কাপ
টক দই-১ কাপ
কাঁচা দুধ ১ কাপ
পিঁয়াজ,আদা,রসুন বাটা-৫ চা চামচ
জিরা বাটা-১ চা-চামচ
বাদাম বাটা-২ টেবিল চামচ
পোস্তদানা বাটা-২ টেবিল চামচ
মরিচগুঁড়ো-১ চা-চামচ
আরও পড়ুন মেডিক্যাল কলেজে ছাত্র ভর্তি মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের দুই বিচারপতির নজিরবিহীন সংঘাত
কাঁচা লঙ্কা- ৫-৬টি
গরম মশালার গুঁড়ো-১ চা-চামচ
জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়ো-চা-চামচ
দারুচিনি-৬ টুকরো
এলাচ,লবঙ্গ-৬ থেকে ৭টি
তেজপাতা-৪টি
ঘি-হাফ কাপ
নুন,হলুদ,তেল-পরিমাণ মত
বেরেস্তা- আধা কাপ

রন্ধন প্রণালী
প্রথমেই মাছ ভালো করে ধুয়ে তাতে নুন,হলুদ,দুধ দিয়ে এক ঘণ্টা রাখতে হবে। এবার কড়াইয়ে তেল ও ঘি গরম করে তাতে পিঁয়াজ ভেজে সব বাটা মশলা দিয়ে কষিয়ে নিন। মশলা থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে ম্যারিনেট করে রাখা মাছ দিয়ে দেবেন। এবার নুন, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, তেজপাতা, লঙ্কা, গোলমরিচ, দই দিয়ে কিছুক্ষণ কষিয়ে নারকেলের দুধ ও ২ কাপ গরম জল দিয়ে ঢেকে রান্না করতে হবে। এরপর এক কাপ নারকেলের দুধ, বেরেস্তা, গরম মশলা গুঁড়ো, জায়ফল-জয়ত্রী গুঁড়ো, কাঁচা লঙ্কা দিয়ে অল্প আঁচে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। ওপর থেকে তেল ছাড়তে শুরু করলে তেলের ওপর এলে মালাই দিয়ে দিলেই তৈরি কাতলা মালাইকারি। বিরিয়ানি,পোলাও কিংবা ফ্রায়েড রাইসের সঙ্গে একেবারে জমে যাবে উইকেন্ড স্পেশাল ক্ষীরোদ কাতলা।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
আরেক অভিনেতা প্রণবের অকালপ্রয়াণ
বেজি কি সাপের বিষে কাবু হয় না?