সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ ফেব্রুয়ারি: মর্মান্তিক ঘটনা কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু এক পুলিশকর্মীর। সূত্রের খবর, বুধবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ কলকাতা পুলিশ ট্রেনিং স্কুলের অস্ত্রাগারের সামনে নিজের সার্ভিস রিভলবার গুলিতেই মৃত্যু হয় ওই পুলিশ কনস্টেবলের। এরপর কপালে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালের ট্রমা কেয়ারে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু হাসপাতালের চিকিৎসক ওই পুলিশকর্মীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত কনস্টেবলের নাম জয়ন্ত সরকার। তিনি কমব্যাট ফোর্সের জওয়ান হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঘটনাস্থলে রয়েছে আলিপুর থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।
জানা গিয়েছে, কমব্যাট ফোর্সের জওয়ান জয়ন্ত সরকারের বাড়ি নদিয়ার শান্তিপুর এলাকায়। কীভাবে এই অঘটন ঘটল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যদিও প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, আত্মঘাতী হয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে,বুধবার কলকাতা ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের সামনে তাঁর ডিউটি ছিল। সাড়ে বারোটা থেকে সাড়ে আটটা পর্যন্ত ডিউটি করেছেন। এরপর পুলিশ ট্রেনিং স্কুলে ফিরে আসেন তিনি। তখনই পিটিএস-এর আর্মারির সামনে এই ঘটনা ঘটে। সার্ভিস রিভলবার ফেরত দেওয়ার আগে চলে গুলি। সেই গুলিতেই মৃত্যু হয় কমব্যাট ফোর্সের জওয়ান জয়ন্ত সরকারের।
অস্ত্রাগারের সামনে থেকে গুলির আওয়াজ পেয়ে সকলে ছুটে যান। দেখা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন জয়ন্ত। হাতে তাঁরই সার্ভিস রিভলবার। পুলিশ সূত্রে খবর, কিছুদিন পরেই তাঁর বিয়ের কথা ছিল। সেই জন্য সম্প্রতি ছুটির জন্য আবেদন করেছিলেন। সেই ছুটি মঞ্জুরও হয়ে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এসবের মধ্যেই বুধবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ ডিউটি থেকে পিটিএসে ফিরেই নিজের সার্ভিস রিভলবারের গুলিতে মৃত্যু হল পুলিশকর্মীর। তবে কী কারণে এই মৃত্যু, সেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন পুলিশকর্মীরা। তিনি কোনও মানসিক অবসাদের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন কি না, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


More Stories
মৌলবাদের ভ্রূকুটি পেছনে ফেলে কলকাতায় তসলিমা নাসরিন
প্রসেনজিতের বাড়িতে অমিত শাহ
বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে রাজপথে মমতা