Home » বারাসাতে মোদির সভায় যোগ দিতে একে একে সভাস্থলে পৌঁছচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা

বারাসাতে মোদির সভায় যোগ দিতে একে একে সভাস্থলে পৌঁছচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৬ মার্চঃ সন্দেশখালি ইস্যুতে তোলপাড় রাজ্য। বাংলার রাজনীতিতে এখন সবথেকে বড় ইস্যু সন্দেশখালি। এবার সন্দেশখালির গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলতে চান প্রধানমন্ত্রী। বারাসাতের সভা থেকেই নরেন্দ্র মোদি কথা বলবেন সন্দেশখালির মহিলাদের সঙ্গে। ইতিমধ্যেই বারাসাতে  মোদির সভায় যোগ দিচ্ছেন সন্দেশখালির মহিলারা। বুধবার সাতসকালে নৌকা, বাসে চেপে সন্দেশখালির বিভিন্ন জায়গা থেকে মহিলাদের নিয়ে বারাসাতের কাছারি ময়দানের সভাস্থলের দিকে রওনা দিয়েছে বিজেপি। সন্দেশখালিতে মহিলাদের উপর অত্যাচারের অভিযোগকে সামনে রেখে বারাসাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাকে কেন্দ্র করে যেমন শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। একে একে সভাস্থলে পৌঁছচ্ছেন নেতৃত্বরা। সভায় উপস্থিত থাকবেন সন্দেশখালির প্রায় আটশো মহিলা। 

আরও পড়ুন   সন্দেশখালিকাণ্ডে এবার সিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপির আহ্বায়ক বিকাশ সিংহ জানিয়েছেন, চেষ্টা করা হবে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নির্যাতিতাদের দেখা করিয়ে দেওয়ার। জানা গিয়েছে, বারাসাতের মহিলা শক্তি বন্ধন সভার মূল ইস্যুই হল সন্দেশখালি। লোকসভা ভোটের আগে সন্দেশখালিকে কেন্দ্র করে বিজেপির আয়োজিত বারাসাতের সভায় প্রধানমন্ত্রীর যোগদান নিঃসন্দেহে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কেননা বারাসতের পাশের লোকসভা কেন্দ্র বসিরহাটের অন্তর্গত সন্দেশখালি। মোদি বারাসাতের সভায় সন্দেশখালি নিয়ে আরও বেশি করে আক্রমণাত্মক হতে পারেন বলেই মনে করছে দল। সেই কারণে মোদির বারাসাতের এই সভাকে জাতীয় স্তরের কর্মসূচিতে নিয়ে যাচ্ছে বিজেপি। সারা দেশের ছয় হাজার জায়গা থেকে লক্ষাধিক মহিলারা ভার্চুয়ালি প্রধানমন্ত্রীর এই সভায় অংশ নেবেন। এমনকী কেন্দ্রীয় আইসিডিএস প্রকল্পের কর্মীদেরও সভা হাজির করাতে চায় বিজেপি।

উল্লেখ্য, তিনদিনের মাথায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলকাতায় পা রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন রাতে বিমানবন্দর থেকে সোজা রাজভবনে যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তবে কলকাতায় পা রেখেই রাজভবন যাওয়ার আগে শিশুমঙ্গল হাসপাতালে যান তিনি। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের প্রেসিডেন্ট স্বামী স্মরণানন্দজি মহারাজ ভর্তি রয়েছেন এই হাসপাতালে। তাঁকে দেখতেই হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রী। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শেয়ার করেছেন সেই ছবি। গত বছর সেপ্টেম্বরের মাসের শেষের দিকে বার্ধক্যজনিত কারণে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্বামী স্মরণানন্দজি মহারাজ। তাঁকে পিয়ারলেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তী সময়ে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে নরেন্দ্রপুরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। কিছুদিন আগে ফের তিনি অসুস্থ হলে পুনরায় পিয়ারলেস হসপিটালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। সেখান থেকে তাঁকে রামকৃষ্ণ সেবা প্রতিষ্ঠানে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর থেকে তিনি সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদিন স্বামীজির স্বাস্থ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়ার পর সেখানে তাঁর চিকিৎসা নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গেও কথা বলেন মোদি।

About Post Author