Home » অশোকনগরে তৃণমূলের উপপ্রধান খুনের ঘটনায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত গৌতম দাস

অশোকনগরে তৃণমূলের উপপ্রধান খুনের ঘটনায় গ্রেফতার মূল অভিযুক্ত গৌতম দাস

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২১ মার্চঃ উত্তর ২৪ পরগনা জেলার অশোকনগরের গুমা ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান খুনের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত গ্রেফতার না হওয়ায় গত কয়েকদিন ধরেই ক্ষোভে ফুঁসছিলেন স্থানীয়রা। অবশেষে বৃহস্পতিবার গৌতম দাসকে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতে পাঠাল বারাসাত আদালত। গৌতম দাসের ফাঁসির দাবিতে এদিন এলাকার লোকজন কোর্ট চত্বরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, উপপ্রধান খুনের মূল অভিযুক্ত এই গৌতম দাসই। খুনের পর থেকেই তিনি গা-ঢাকা দিয়েছিলেন। অবশেষে গৌতমকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসা হয় বারাসাত থানায়।

আরও পড়ুন    Arvind Kejriwal: ‘সমন মেনে হাজিরা দিলে ইডি যেন গ্রেফতার না করে’, হাইকোর্টে কাতর আবেদন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের

উল্লেখ্য, গত ২৫ ফেব্রুয়ারি রাতে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জে গুলিতে খুন করা হয় অশোকনগর বিধানসভার গুমা ১নম্বর পঞ্চায়েতের তৃণমূল উপপ্রধান বিজন দাসকে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ওইদিন রাতে দলীয় এক কর্মীর বাড়িতে নিমন্ত্রণ ছিল বিজন দাসের। খাওয়া-দাওয়ার পর গৌতম দাস নামে স্থানীয় এক জমি ব্যবসায়ী সহ কয়েকজনের সঙ্গে তার বচসা বাধে। এরপরই আচমকা বিজন বাবুকে খুব কাছ থেকে গুলি করে এক দুষ্কৃতী। তাঁর মাথা ও কানে পরপর গুলি লাগে। সঙ্গে সঙ্গেই রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই গোটা এলাকাজুড়ে ব্যাপক শোরগোল ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি তাঁকে উদ্ধার করে বারাসাত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে শেষরক্ষা হয়নি। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তৃণমূল নেতাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন   Garden Reach Building collapse: গার্ডেনরিচে বহুতল বিপর্যয়! বিল্ডিং বিভাগের আধিকারিকদের জন্য নতুন নির্দেশিকা জারি করল কলকাতা পুরসভা

অন্যদিকে, এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় অশোকনগর থানার পুলিশ। উপপ্রধানের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে যান অশোকনগরের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিজনবাবুর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অশান্তির সময় গৌতম দাস নামে এক ব্যক্তি তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। উপপ্রধান খুনের ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত পলাশ শর্মাকে গ্রেফতার করা হলেও প্রধান অভিযুক্ত গৌতম দাস পলাতক ছিল। যার কারণে পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করতে পারেননি। মৃতের পরিবারের দাবি, উপপ্রধান হওয়ার পর থেকেই পঞ্চায়েতের নানা বিষয়ে গোষ্ঠী কোন্দল শুরু হয়েছিল। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন বিজন বাবু। পরিকল্পনামাফিক তাঁকে খুন করা হয়েছে বলেই দাবি পরিবারের। এই খুনের পিছনে রাজনৈতিক কোনো কারণ রয়েছে নাকি অন্য কোন কারণ রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

#AshoknagarMurder

#latestbengalinews

About Post Author