স্পোর্টস ডেস্ক, সময় কলকাতা, ৩০ জুলাইঃ আনোয়ার আলি ইস্যুতে নয়া মোর। আগামী ২ অগস্ট ফেডারেশনের প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটির বৈঠক। সেই বৈঠকে উপস্থিত থাকবে মোহনবাগান ও আনোয়ার আলি। দুই পক্ষকে নিয়ে সমাধানের পথ খুঁজবে কমিটি। মোটামুটি সেখানেই ঠিক হয়ে যাবে আনোয়ার আসন্ন মরশুমে কোথায় খেলবেন। সেখানে দোষী সব্যস্ত হলে কড়া শাস্তির মুখে পড়তে পারেন জাতীয় দলের তারকা ডিফেন্ডার। আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি হতে পারে নির্বাসনও।

গত ১৯ জুলাই কলকাতা লিগের দলের প্রস্তুতিতে আনোয়ারকে যোগ দিতে বলে মোহনবাগান। কিন্তু তিনি যোগ দেননি। ফেডারেশনের কাছে আনোয়ার দাবি করেন মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি ফিফার নিয়মে বৈধ নয়। যদিও এই মরশুমে ফিফার সেই নিয়ম ভারতীয় ফুটবলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ফলে মোহনবাগানের সঙ্গে আনোয়ারের চার বছরের লোনের চুক্তি বহাল থাকছে। অন্যদিকে চণ্ডীগড়ে গিয়ে লালহলুদের দুই শীর্ষ কর্তা আনোয়ারকে তাঁদের দলের চুক্তিতে সই করান। পুরো ঘটনার মধ্যস্থতা করেন দিল্লি দিল্লির কর্তা রঞ্জিত বাজাজ। সেই কথা যদিও আনোয়ার বা ইস্টবেঙ্গল কোনও পক্ষ স্বীকার করেনি। যদিও প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটি আভ্যন্তরীন তদন্তে জানতে পারে ঘটনাটি সত্য। যা ২ তারিখের বৈঠকে আনোয়ারের বিপক্ষে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। আনোয়ারের পাশাপাশি শাস্তির মুখে পড়তে পারেন বাজাজ ও তাঁর ক্লাবও।
আরও পড়ুনঃ Mohun Bagan : ঐতিহাসিক দিনেই অনুশীলন শুরু মোহনবাগানের, পুষ্পবৃষ্টিতে বরণ করা হল প্রিয় ফুটবলারদের
আরও পড়ুনঃ East Bengal FC : ডেভিড ও দিমির গোল, জয় দিয়ে ডুরান্ড অভিযান শুরু ইস্টবেঙ্গলের
গতকাল মোহনবাগান দিবসের দিন পুরো দল প্রস্তুতিতে নামলেও সেখানে দেখা যায়নি জাতীয় দলের ডিফেন্ডারকে। তাঁর এহেন ব্যবহারে বিরক্ত মোহনবাগান ক্লাব কর্তারা। জানা গিয়েছে ফুটবলারের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছেন তাঁরাও। ফুটবলারের থেকে বড় আর্থিক ক্ষতিপূরণের দাবি করা হবে বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে দোষী সব্যস্ত হলে আনোয়ারকে ছয় মাস ফুটবল থেকে নির্বাসিত করবে প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটি। শাস্তির মুখে পড়তে পারে রঞ্জিত বাজাজ ও তাঁর ক্লাব দিল্লি এফসিও। আগামী দুই দলবদলের মরশুমে কোনও ফুটবলারকে সই করাতে পারবে না তাঁরা। সব মিলিয়ে আরও জলঘোলার পথে আনোয়ার বিতর্ক।


More Stories
ভিভিএস লক্ষ্মণের হাত ধরে জয়ের রাস্তায় ফিরল ভারত
একই দিনে জন্ম, দুই ফাস্ট বোলারকে দিয়ে আক্রমণ শুরু ভারতের
ফাইনালে লাল কার্ড দেখা পারেদেসকে ‘খু*ন করতে চেয়েছিলেন’ মেসি?