Home » Killing of Pregnant Elephant: ঝাড়গ্রামে জ্বলন্ত তির ছুড়ে মারা হল অন্তঃসত্ত্বা হাতিকে, ঘটনার পিছনে করা ? রিপোর্ট চায় উচ্চ আদালত।

Killing of Pregnant Elephant: ঝাড়গ্রামে জ্বলন্ত তির ছুড়ে মারা হল অন্তঃসত্ত্বা হাতিকে, ঘটনার পিছনে করা ? রিপোর্ট চায় উচ্চ আদালত।

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩০ আগস্টঃ ঝাড়গ্রামে অন্তঃসত্ত্বা হাতিকে জ্বলন্ত লোহার হুলা ছুড়ে হত্যা করা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা দেশে। সমাজ মাধ্যমে বিচলিত নিয়েটিজেনরা। উচ্চ আদালতে জনস্বার্থে মামলাও দায়ের হয়েছে। বুধবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি টি এস শিবগণনাম স্পষ্ট বলেছেন “কে কে এই ঘটনার সাথে জড়িত তাদের নাম দিন, নেতা-মন্ত্রীরা সন্দেহভাজনের তালিকায় থাকলে তাদের নাম দিন।”

গত ১৫ আগস্ট স্বাধীনতা দিবসের দিন দলের সাথেই এক প্রান্তবয়স্ক অন্তঃসত্ত্বা হাতি ঢুকে পড়ে ঝাড়গ্রামে। হাতির দলের এক দাতাল হাতির আঘাতে মৃত্যু হয় অনুপ মল্লিক (৫৪) নামের এক পৌঢ়ের। সেই সুযোগেই হাতি তাড়াতে ঝাড়গ্রামে উপস্থিত হয় হুলা পার্টি। জ্বলন্ত হুলা ছুড়ে তারাই মারে অন্তঃসত্ত্বা হাতিকে । গায়ে গেঁথে যায় হুলাটি। যন্ত্রনায় কাতরাতে থাকা হাতির সেই আর্ত চিৎকারে শিউরে ওঠার অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছে গ্রামবাসীরা। কিছুক্ষন পর মৃত্যু হয় অবলা হাতিটির। ঘটনায় বনদপ্তরের গাফিলতির অভিযোগ তুলেছে স্থানীয়রা। যে কাজ সরকারি দপ্তরের ‘হুলা পার্টির’ করা উচিৎ তাতে কেন অংশ নিল স্থানীয়দের অনেকে ?

আরও পড়ুনঃ LGBTQ: সমকামী সম্প্রদায়ের জন্যে বড় সিদ্ধান্ত মোদি সরকারের, নেওয়া হয়েছে বড় সিদ্ধান্ত

ঘটনা নিয়ে সবর হয়েছেন বন্যপ্রাণীপ্রেমীরা, আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে জনস্বার্থে। তদন্ত করে পুলিশ দুজনকে ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার করলেও খুশি নন মামালাকারী। তার বা তাদের সন্দেহ যে দুজনকে পুলিশ ধরেছে তারা প্রকৃত দোষী নয়, এই নিসংশতার পিছনে আছে অন্য মাথা। প্রধান বিচারপতি টি এস শিবগণনাম ও বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্য্যের বেঞ্চ পরের শুনানিতে হত্যার তদন্তের অগ্রগতির রিপোর্ট জমা দিতে বলেছেন পুলিশকে। আপাতত আদালতের বিচারের সুরাহা পাওয়া যাবে বলে আস্থা রাখছেন মালাকারী।

About Post Author