সময় কলকাতা ডেস্ক, ২ সেপ্টেম্বরঃ পরপর পনেরো দিন! ৪৮ ঘণ্টার বিরতির পরে সোমবার ফের সিজিওতে হাজিরা দিলেন আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ। এদিন সকাল ১০.৪০ নাগাদ সিজিওতে পৌঁছন তিনি। আরজিকর কাণ্ডে গত ১৫ দিনে ১৩০ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সন্দীপকে লাগাতার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। এই নিয়ে ১৫ বার সন্দীপকে ডাকল সিবিআই। গত ২৪ আগস্ট সন্দীপ ঘোষ-সহ ছ’জনের পলিগ্রাফ পরীক্ষার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে সিবিআই দফতরে। সেই পলিগ্রাফ টেস্ট থেকে উঠে আসা তথ্য সম্পর্কেই তাঁকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় সিবিআই। সেই সূত্রেই সিজিওতে ডেকে পাঠানো হয়েছে সন্দীপকে।
প্রসঙ্গত, এই পলিগ্রাফ টেস্টের মাধ্যমে বোঝা যায়, যে কেউ মিথ্যা বলছে কিনা। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট দেখে অনেকেরই অনুমান, যে অত্যাচারের কথা বলা হয়েছে এবং যেভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে, তাতে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে। যদিও প্রথম থেকেই নির্যাতিতার বাবা-মা দাবি করে এসেছেন, এই ঘটনায় সঞ্জয় ছাড়াও নির্যাতিতার সহকর্মী-সহ অনেকেই জড়িত। কলকাতা পুলিশও প্রথম থেকেই সে কথা মাথায় রেখেছে। এবার সঞ্জয় রায় এবং তিলোত্তমার সহকর্মীদের এই টেস্ট করলে জানা যেতে পারে, ওই দিন ঘটনার সময়ে তারা ঠিক কী কী করেছিল, তাঁদের সঙ্গে আর কেউ ছিল কিনা এবং আরও নানান তথ্য।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কারও পলিগ্রাফ টেস্ট বা পরীক্ষার মাধ্যমে তার শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি, নাড়ির স্পন্দন তথা গতি, রক্ত চাপ, শরীর থেকে কতটা ঘাম বেরোচ্ছে ইত্যাদি দেখা হয়। কেউ মিথ্যা কথা বললে তার হৃৎস্পন্দন এবং রক্তচাপের পরিবর্তন ঘটে। তার মাধ্যমেই একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায়। সবসময় যে ১০০ শতাংশ সঠিক ফল মেলে তা নয়, তবুও একটা ধারণা করতে পারেন তদন্তকারীরা।


More Stories
গ্রেফতার সুশান্ত ঘোষ
মেসিকাণ্ড ঘিরে “কুৎসা”, ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করলেন সৌরভ
আরজিকরের তরুণ চিকিৎসকের অস্বাভাবিক মৃত্যু, নেপথ্যে কোন রহস্য ?