সময় কলকাতা ডেস্ক, ৮ সেপ্টেম্বরঃ আরজি কর কাণ্ডে আরও চাপে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। রাজ্যসভার সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিলেন জওহর সরকার। পাশাপাশি রাজনীতি থেকে সন্যাস নেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি। প্রথম দিন থেকে আরজি কর কাণ্ডে দলের অস্বস্তি বাড়িয়েছিলেন সুখেন্দু শেখর রায়কে। দলের বিরুদ্ধে মুখ খুললেও তিনি ইস্তফা দেননি। কিন্তু প্রথম আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে দলের পদ ছাড়লেন কোনও সাংসদ।

মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখে ইস্তফার কথা জানিয়েছেন জওহর সরকার। সেই চিঠিতে দলের বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ ও তার পরিপ্রেক্ষিতে দলের অবস্থান নিয়ে সরব হয়েছেন। প্রাক্তন আমলা জানিয়েছেন তিনি তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনে সরকারের প্রতি মানুষের এরকম অনাস্থার ছবি আগে দেখেননি। সরকার তথ্যমূলক কোনও কথা মানুষকে বললেও সেটা জনমানসে গ্রহণযোগ্য হচ্ছে না। তিনি লিখেছেন, ‘‘আমি গত এক মাস ধৈর্য ধরে আরজি কর হাসপাতালের ঘৃণ্য ঘটনার বিরুদ্ধে সবার প্রতিক্রিয়া দেখেছি আর ভেবেছি, আপনি কেন সেই পুরনো মমতা ব্যানার্জির মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে সরাসরি জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে কথা বলছেন না। এখন সরকার যে সব শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে, তা এককথায় অতি অল্প এবং অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে।’’
আরও পড়ুনঃ ১৩ মাসের মধ্যে মৃত্যুদণ্ডের রায় :মাটিগাড়ায় ধর্ষণ-খুনের সাজা ফাঁসি, নির্দেশ দিল শিলিগুড়ি আদালত
আরও পড়ুনঃ Australia vs Scotland: অস্ট্রেলিয়ার হয়ে দ্রুততম শতরান ইংলিসের, এক ম্যাচ বাকি থাকতেই সিরিজ জয় অজিদের
২০২১ সালে তৃতীয়বারের জন্য রাজ্যে ক্ষমতায় আসে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই বছরেই প্রাক্তন এই আমলাকে অনেক ঘটা করে রাজ্যসভায় পাঠায় ঘাসফুল শিবির। সভাকক্ষে ও নিজের সমাজমাধ্যমে বেশ সক্রিয়ও জওহর সরকার। বারবার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধেও সরব হতে দেখা গিয়েছে। পাশাপাশি দিল্লিতে দলের একাধিক কর্মসূচিতে বেশ সক্রিয় থেকেছেন জওহর। যদিও দলের বিরুদ্ধে অতীতেও মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পরও দলের অবস্থানের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন।


More Stories
ঋতব্রতদের সম্পর্কে কুণাল ঘোষের বক্তব্য কেন তাৎপর্যপূর্ণ?
গ্রেফতারির ভয়ে আগাম জামিনের আবেদন অরূপ বিশ্বাসের
বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে গ্রেফতার অসিত মজুমদার