Home » আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘোষের শ্যালিকার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার উত্তরপত্র, টেন্ডারের কপি

আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে সন্দীপ ঘোষের শ্যালিকার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার উত্তরপত্র, টেন্ডারের কপি

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৩ সেপ্টেম্বরঃ আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় তোলপাড় গোটা দেশ। তারই মধ্যে আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে ইতিমধ্যেই তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নেমেছে ইডি-সিবিআই। আর্থিক দুর্নীতিকাণ্ডে সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পর তাঁর বেলেঘাটার বাড়িতে তল্লাশি চালায় ইডি। এরপরই উঠে আসে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। শুধুমাত্র তাঁর বেলেঘাটার বাড়ি নয়, তাঁর শ্বশুরবাড়ি, শ্যালিকার বাড়িতেও দফায় দফায় তল্লাশি চালিয়ে একাধিক নথি উদ্ধার হয়েছে। এবার সন্দীপ ঘোষের শ্যালিকার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার প্রায় ২০০ পাতার পরীক্ষার উত্তরপত্রের কপি। উদ্ধার হয়েছে প্রচুর পরিমাণে টেন্ডারের কপি, দলিল, সম্পত্তির কাগজপত্রও। যা দেখে রীতিমতো চক্ষু চড়কগাছ ইডি আধিকারিকদের। সূত্রের খবর, এই উত্তরপত্রের কপি নিয়ে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কি না ইতিমধ্যেই খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে ইডি।

আরও পড়ুন   মোহনবাগান নাকি মুম্বই সিটি এফসি, ইন্ডিয়ান সুপার লিগের মহাদ্বৈরথে এগিয়ে কে?

এর আগে গত মঙ্গলবারই ক্যানিংয়ে সন্দীপ ঘোষের বাগানবাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি ল্যাপটপ। ইডি সূত্রে খবর, এই ল্যাপটপেই রয়েছে দুর্নীতির নানা তথ্য। কেননা গুরুত্বপূর্ণ বেশকিছু ডিজিটাল নথি পেয়েছে তারা। টেন্ডার সংক্রান্ত নথি রয়েছে ল্যাপটপে। সেইসঙ্গে এক্সেল ফাইলে রয়েছে প্রচুর টাকার হিসেব। প্রসঙ্গত, আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার পরই হাসপাতালের একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রকাশ্যে আসে। আরজিকর হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে আরজিকর হাসপাতালে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তে তেড়েফুঁড়ে ময়দানে নেমেছে ইডি-সিবিআই। হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই আরজিকরে দুর্নীতির তদন্তে এফআইআর করে সিবিআই। জোরকদমে শুরু হয়ে যায় তল্লাশি। সেই সূত্রেই আদালতের নির্দেশে শহরজুড়ে অভিযানে নেমেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।

অভিযোগ, স্বাস্থ্যভবন ও কলেজ কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়াই ফুড স্টল, কাফে, ক্যান্টিন, সুলভ কমপ্লেক্স তৈরির জন্য টেন্ডার দেওয়া হয়। তিনজন বিশেষ ব্যবসায়ীই এই প্রত্যেকটি ‘বেআইনি’ টেন্ডার পান। তাঁদের একেকজনকে কয়েক কোটি টাকার বরাত দেওয়া হয়। ফিনান্স ও অ্যাকাউন্ট অফিসারদের কিছু না জানিয়েই এই বরাতগুলি দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ ও অন্যান্য কাজ করানো হয় পূর্ত দফতরকে না জানিয়েই। ডাক্তারি শিক্ষার তহবিল নয়ছয়ের অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, পুরসভার বদলে হাসপাতালের কর্তারা পার্কিং থেকে টাকা আদায় করে তা সরিয়ে দেন। চুক্তির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রেও দুর্নীতি হয়েছে। এক স্বাস্থ্যকর্তার বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে চাহিদামতো রদবদলেরও অভিযোগ উঠেছে। বিক্রেতাদের কাছ থেকেও কুড়ি শতাংশ টাকা তোলা হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনকী, ভেন্ডারদের সাহায্যে এক স্বাস্থ্যকর্তার বাগানবাড়ি সাজানো হত। তা না করলে তাঁরা হুমকির মুখে পড়তেন এমনও অভিযোগ উঠে এসেছে। একদিন অন্তর হাসপাতালের ব্যবহার হয়ে যাওয়া সিরিঞ্জ, স্যালাইনের বোতল, রবার গ্লাভস, হ্যান্ড গ্লাভস মিলিয়ে কয়েকশো বর্জ্য বের হতো। তাতেও নাকি দুর্নীতি করতেন সন্দীপ। একটা ব়্যাকেট বানিয়ে ফেলেছিলেন, তাতে যুক্ত ছিলেন দু’জন বাংলাদেশিও। এসব দুর্নীতির নথিই দ্রুত সংগ্রহ করতে চাইছে ইডি এবং সিবিআই। কে বা কারা এর সঙ্গে জড়িত তারও পর্দাফাঁস করতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

#RGkarHospital   

#RGkarPrincipalSandeepGhosh    

#RGKARDoctorDeath  

#Latestbengalinews 

#RGKarHospitalfinancialcorruptioncase 

#ED 

#sandipghosh’ssisterinlaw

About Post Author