Home » আরজিকর-সহ রাজ্যের সব হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা মমতার

আরজিকর-সহ রাজ্যের সব হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা মমতার

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ সেপ্টেম্বর: পাঁচ দফা দাবিতে গত মঙ্গলবার রাত থেকেই স্বাস্থ্য ভবনের সামনে কর্মবিরতিতে অনড় জুনিয়র চিকিৎসকেরা। শনিবার সকালেও বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে অবস্থান বসে থাকতে দেখা যায় জুনিয়র ডাক্তারদের।আন্দোলনকারীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের দাবি পূরণ না করা হবে, অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান বিক্ষোভ চলতে থাকবে। বৃহস্পতিবার বিকেলে চিকিৎসকদের দাবি মেনে ৩০ জনের প্রতিনিধি নিয়ে বৈঠকে রাজি হয় নবান্ন। তবে, তারপরেও লাইভ স্ট্রিমিং-য়ের দাবিতে অনড় ছিল আন্দোলনকারী চিকিত্সকরা। কিন্তু, লাইভ স্ট্রিমিংয়ে রাজি ছিল না নবান্ন। ফলে ওইদিন ভেস্তে যায় বৈঠক। নবান্নের সেই বৈঠক ভেস্তে যাওয়ার জন্য প্রশাসনিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করেন আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরা। এহেন পরিস্থিতিতে শনিবার জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্নামঞ্চে অর্থাৎ স্বাস্থ্য ভবনে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরজিকর-সহ রাজ্যের সব হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দেওয়ার ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন      জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্নামঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

এদিন জুনিয়র জুনিয়র ডাক্তারদের অবস্থান মঞ্চে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ আপনাদের প্রতি আমি কোনও অবিচার করব না। কাজে ফিরুন। আজ থেকে আমি আরজিকর সহ সব কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতি ভেঙে দিলাম। শীঘ্রই আমি সব হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতিতে অধ্যক্ষদের চেয়ারম্যান করব। যেখানে জুনিয়র ডাক্তার, সিনিয়র ডাক্তার, নার্স ও পুলিশ থাকবে। আপনারা কাজে যোগ দিন। আমি আপনাদের দাবিগুলো পূরণ করার চেষ্টা করবো। আমি একা সরকার চালাই না। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, ডিজি সকলের সঙ্গে আমি আপনাদের দাবি নিয়ে আলোচনা করব। সিবিআইকে অনুরোধ করব, দ্রুত তদন্ত শেষ করুন। যদি কেউ দোষী হন, শাস্তি পাবেন। দোষীদের ফাঁসি হোক।’

এরপরই আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি পাঁচ মিনিট সময় নেব। আমাকে বলতে দিন। আমি আপনাদের আন্দোলনকে সমর্থন করি। কুর্ণিশ জানাই। আমি নিজেও ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা লোক। আমার পোস্টটা বড় কথা নয়। মানুষের পোস্টটাই বড় কথা।‘ এরপরই মমতার সংযোজন, আপনারা যেভাবে বসে আছেন, তাতে আমার মানসিক কষ্ট হচ্ছে। কাল সারারাত ঘুমোতে পারিনি। ঘটনার পর থেকে আমিও রাতের পর রাত ঘুমোইনি। আপনারা যখন রাস্তায় থাকেন আমাকেও পাহারাদার হিসেবে জেগে থাকতে হয়।’

#CMMamataBanerjee #SwasthaBhavan  #RGkarHospital  #SandeepGhosh  #RGKARDoctorDeath  #Latestbengalinews  #SupremeCourt 

About Post Author