সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৪ সেপ্টেম্বরঃ রাস্তার ধারে ফলের রসের দোকান। সময় সুযোগ পেলেই সেখানে দাঁড়িয়ে পড়েন পথচারীরা। পকেট সায় দিলেই একগ্লাস স্বাস্থ্যকর টাটকা ফলের রস কিনে, সটান চালান করে দিতেন পেটে। বিশেষ করে গরমকালে চাহিদা বাড়ত আম, তরমুজ, মোসাম্বির জুসের। কিন্তু কখনও কেউ যাচাই করে দেখেননি ফলের রসে কী মেশানো হচ্ছে। আদৌ তা স্বাস্থ্যকর কিনা। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে এরকমই এক ফলের দোকানে এমন একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা সামনে এসেছে। যা জানার পর রাস্তার ধারের দোকানে যাদের ফলের রস খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে তাঁরাও ঠান্ডা গ্লাসে চুমুক দেওয়ার আগে দুবার ভাববেন অথবা সতর্ক হয়ে তবেই সেই ফলের রস পান করবেন। কী ঘটেছে?

সম্প্রতি সমাজমাধ্যমে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে ফলের রসে মূত্র মিশিয়ে বিক্রি করছেন গাজিয়াবাদের এক ফলের রসের দোকান মালিক। ফলের রস পান করার সময় নাকে একটি ঝাঁঝালো গন্ধ অনুভব করেছিলেন অনেকেই। তখন তাঁদের মনে সন্দেহ হয়। তারপরেই তাঁরা ক্ষোভে পড়েন। সবাই মিলে সেই দোকানের উপর চড়াও হয়ে মালিককে বেধরক মারধর করা হয়। খবর দেওয়া হয় স্থানীয় প্রশাসনকে। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দোকানে তল্লাশি চালানোর সময় চক্ষু চড়ক গাছ হয় তাঁদের। দোকানের ভিতর থেকে উদ্ধার করা হয় মূত্র ভর্তি প্লাস্টিকের জার। দোকান মালিককে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়। পাশাপাশি আটক করা হয় তাঁর নাবালক ছেলেকেও।
আরও পড়ুনঃ Birbhum Witch Hunting: ডাইনি অপবাদে পিটিয়ে খুন দুই মহিলাকে, মর্মান্তিক ঘটনার সাক্ষী এবার বীরভূম
থানায় নিয়ে গিয়ে দোকান মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশ আধিকারিকরা। কিন্তু পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন ফলের রসে মূত্র মেশাতেন তার কোনও সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি। এসপি ভাস্কর বর্মা জানিয়েছেন, জিজ্ঞসাবাদ করে তাঁরা জানতে পেরেছেন দোকান মালিকের নাম আমির। তাঁর ছোট ছেলেকেও আটক করে ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।


More Stories
কেক কেটে ঈদ উদযাপন
বউ বদল : ময়নাগুড়িতে স্বামী-স্ত্রীর বদলাবদলি নাকি বদলা ?
জেলায় জেলায় অনুপ্রবেশকারীদের ও সন্দেহভাজনদের আটক করে রাখা হচ্ছে হোল্ডিং সেন্টারে