সময় কলকাতা ডেস্ক, ২০ সেপ্টেম্বর: আরজি কর কাণ্ডের আবহে হ্যাক্ড সুপ্রিম কোর্টের উইটিউব চ্যানেল। উধাও আরজি করের শুনানির ভিডিও। শীর্ষ আদালতে এখনও বিচারাধীন আরজি কর কাণ্ড। এরইমধ্যে আদালতের অফিসিয়াল চ্যানেলে আমেরিকার ‘রিপল ল্যাবস’ নামে একটি সংস্থার ক্রিপ্টোকারেন্সি সম্পর্কিত বিজ্ঞাপনী ভিডিয়ো আসছে বলেই জানা গিয়েছে সূত্র থেকে। নেই আরজি কর কেসের শুনানি চলাকালীন রেকর্ড হওয়া বিশেষ ক্লিপ।

মনে করা হচ্ছে ১৯ সেপ্টেম্বর দেশের শীর্ষ আদালতের ইউটিউব চ্যানেলটি হ্যাক্ড হয়েছে। চ্যানেলে সম্প্রচারিত হচ্ছে একটি বিজ্ঞাপন। ‘ব্র্যাড গার্লিংহাউস: রিপল রেসপন্ডস টু দ্য এসইসি’স ২ বিলিয়ন ডলার ফাইন! এক্সআরপি প্রাইস প্রেডিকশন’, বিজ্ঞাপনটি কিছুটা এরূপ। সুপ্রিম কোর্টের এই অফিসিয়াল চ্যানেলটিতে আরজি কর হাসপাতালের মহিলা চিকিৎসক খুন ও ধর্ষণের ঘটনার মামলার সরাসরি সম্প্রচার করা হচ্ছিল। এই সম্প্রচার দেখেই গোটা দেশের সংবাদ মাধ্যমগুলি সংবাদ সম্প্রচারও করেছে। এদিন বার অ্যান্ড বেঞ্চ-এর এক সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, আপাতত ইউটিউব চ্যানেলটির লিঙ্ক নিষ্ক্রিয় করে রাখা হয়েছে। হ্যাক্ড হয়ে যাওয়ার বিষয়টি ইচ্ছাকৃত ভাবে হয়ে থাকলে তা সাইবার ক্রাইম। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আরও পড়ুন: উত্তরপ্রদেশে ফের দুর্ঘটনার কবলে মালগাড়ি, রেললাইন থেকে ছিটকে গেল ২০টি বগি
সুপ্রিম কোর্টে আরজি কর মামলার সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়ে আগেই অনেক চাপানউতর হয়েছে। এই সম্প্রচার বন্ধ রাখার আর্জি জানিয়ে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবী কপিল শিব্বল। তাঁর বক্তব্য ছিল, ‘‘বাইরে বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনজীবীরা অনেক সমস্যায় পড়ছি। সম্প্রচার দেখে অনেকে বলছেন, আমরা নাকি এজলাসে হাসাহাসি করছি। তাই সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ রাখা হোক।” তবে সেই আর্জি খারিজ করে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, ‘‘আপনাদের বিষয়টি অবশ্যই দেখব তবে আমরা শুনানির সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করতে পারব না। এটি জনস্বার্থ মামলা। ‘ওপেন কোর্ট’-এ শুনানি হচ্ছে।”
প্রসঙ্গত, আরজি কর কাণ্ডের পর থেকেই এই সরাসরি সম্প্রচারের বিষয়টিকে প্রাধান্য দিচ্ছেন রাজ্যে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসক থেকে সাধারণ মানুষ। কিছুদিন আগে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ধর্নাকালীন জুনিয়র ডাক্তারদের বৈঠকে ডেকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জুনিয়র চিকিৎসকদের তরফে দাবি করা হয়েছিল, তাঁরা বৈঠকে যাবেন একটি শর্তে, যদি বৈঠকের সরাসরি সম্প্রচার হয়। আন্দোলনরত চিকিৎসকদের সেই দাবি প্রশাসন না মানায় পর পর দু’বার বৈঠক প্রত্যাখ্যান করেছিল তাঁরা। পরে যদিও লাইভ স্ট্রিমিং ছাড়াই বৈঠক হয়েছে। এবার জল্পনা শুরু সুপ্রিম কোর্টের লাইভ স্ট্রিমিং করা উইটিউব চ্যানেলের হ্যাক্ড হয়ে যাওয়া নিয়ে। কীভাবে দেশের শীর্ষ আদালতের গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেল হ্যাক্ড হল প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
মার্চেই বকেয়া ডিএ দেওয়ার উদ্যোগ : এসওপি জারি