Home » Tiljala: “এ ঘটনা বিরল থেকে বিরলতম”, তিলজলায় শিশু ধর্ষণ-খুন মামলায় দোষীকে ফাঁসির সাজা শোনাল আলিপুর আদালত

Tiljala: “এ ঘটনা বিরল থেকে বিরলতম”, তিলজলায় শিশু ধর্ষণ-খুন মামলায় দোষীকে ফাঁসির সাজা শোনাল আলিপুর আদালত

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৬ সেপ্টেম্বরঃ  আরজি কর কাণ্ডের মামলা এখনও চলছে শীর্ষ আদালতে। এরই মধ্যে তিলজলায় সাত বছরের শিশুকে যৌন নির্যাতন ও খুনের মামলায় অভিযুক্তকে ফাঁসির সাজা শোনালো আলিপুরের বিশেষ পকসো আদালত। বিচারক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য কথায়, “ এই অপরাধ বিরল থেকে বিরলতম, অমাণবিক অত্যাচার। একটা শিশু যার নিজেকে বাঁচানোর ক্ষমতা নেই, তার সঙ্গে এই অত্যাচার ক্ষমার যোগ্য নয়।”

আরও পড়ুনঃ দেহ ৩০ টুকরো করে রাখা ছিল ফ্রিজে, কেন খুন হতে হয়েছিল তরুণীকে? বেঙ্গালুরু কাণ্ডে অভিযুক্তের সুইসাইড নোট পেল পুলিশ

২০২৩ সালের ২৬ মার্চ ঘটেছিল এই মর্মান্তিক ঘটনাটি । যার ফলে রীতিমত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল শহর কলকাতা। ফুঁসে উঠেছিল গোটা তিলজলা। এই ঘটনায় পুলিশের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সাধারণ মানুষ একপ্রকার হন্যে হয়ে উঠেছিল অপরাধীর সাজার দাবিতে। সংশ্লিষ্ট শাখায় রেল চলাচল পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হয়েছিল সরকারকে।

আরও পড়ুনঃ ‘কোয়ালিটি টেস্টে’ পাশ করতে পারল না প্যান ডি, ক্লেভাম ৬২৫, প্যারাসিটামল-সহ জীবনদায়ী ৫৩টি ওষুধ

আরও পড়ুনঃ ‘থ্রেট কালচার’-এ অভিযুক্তদের আরজিকর হাসপাতালে দেখে বিক্ষোভ জুনিয়র ডাক্তারদের, উঠল ‘চোর চোর’ স্লোগানও

ঘটনার তদন্তে নেমে কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ অলোক কুমার নামে একজন ডেলিভারি বয়কে গ্রেফতার করে। বিহারের সমস্তিপুরের বাসিন্দা এই ডেলিভারি বয়ের বিরুদ্ধে অপহরণ করে খুন এবং যৌন নির্যাতন সহ ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা দায়ের দায়ের করা হয়। পরিবারের সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই শিশুর মায়ের নির্দেশে বাড়ির ময়লা ভর্তি একটা প্যাকেট ফেলতে গিয়েছিল বাইরে। সেখানে একটি কুকুরকে দেখে ভয় পেয়ে পাশের একটি ঘরে এসে ঢুকে পড়ে। এরপরই সেখান থেকে তাঁকে অন্যত্র টেনে নিয়ে যায় অভিযুক্ত। করে নির্মম অত্যাচার। শারীরিক এবং যৌন নির্যাতন চালানোর পর দু’রকম হাতুড়ি প্রয়োগ করে ওই শিশুকে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কর্যত কোপায় শিশুকে। অলোক কুমার সাউকে মূল অভিযুক্ত হিসাবে গ্রেফতার করে তিনমাসের মধ্যে চার্জশিট পেশ করেছিল কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা। মামলায় মোট ৪৫ জন সাক্ষী ছিলেন। শুরু হয়েছিল বিচারপ্রক্রিয়া। শেষ পর্যন্ত বুধবার আলিপুরের পকসো আদালতের বিচারক অভিযুক্তকে দোষীকে সাব্যস্ত করে মৃত্যু দণ্ডের সাজা শুনিয়েছে।

About Post Author