Home » আরজিকর বিতর্কের আবহেই টালা থানার নতুন ওসি হলেন মলয়কুমার দত্ত

আরজিকর বিতর্কের আবহেই টালা থানার নতুন ওসি হলেন মলয়কুমার দত্ত

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৭ সেপ্টেম্বরঃ আরজি করে ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে গত ১৪ সেপ্টেম্বর সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হন আরজিকরের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষ এবং টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। বর্তমানে জেলে আছেন তিনি। এই বিতর্কের আবহেই এবার টালা থানার ওসি-র দায়িত্ব দেওয়া হল মলয়কুমার দত্তকে। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে মলয় দত্তের নাম জানানো হয়েছে। সূত্রের খবর, আরজিকর কাণ্ডে টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল সিবিআই-এর হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে টালা থানায় অ্যাডিশনাল ওসি হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন মলয় দত্ত। এর আগে তিনি কলকাতার শ্যামপুকুর থানার অ্যাডিশনাল ওসি হিসাবে কর্তব্যরত ছিলেন।

আরও পড়ুন   দেহ ৩০ টুকরো করে রাখা ছিল ফ্রিজে, কেন খুন হতে হয়েছিল তরুণীকে? বেঙ্গালুরু কাণ্ডে অভিযুক্তের সুইসাইড নোট পেল পুলিশ  

এদিকে, আরজিকর হাসপাতালে মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় বুধবার শিয়ালদহ আদালতে হাজির করানো হয় টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে। এদিন আদালত থেকে জেলে ফেরার জন্য প্রিজ়ন ভ্যানে ওঠার সময় হোঁচট খেয়ে পড়ে যান তিনি। এরপর অভিজিৎকে দ্রুত প্রেসিডেন্সি জেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। জানা গিয়েছে, বুধবার অভিজিতের আইনজীবী তাঁর জন্য জামিনের আবেদন করেছিলেন। যদিও তা খারিজ করে দেয় আদালত। সন্দীপ, অভিজিৎ— দু’জনকেই ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, আরজি করে ডাক্তারি পড়ুয়াকে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগে গ্রেফতার হন টালা থানার প্রাক্তন ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। এই ঘটনার তদন্তে টালা থানার প্রাক্তন ওসি-র স্ত্রীকেও ইতিমধ্যেই তলব করেছে সিবিআই। একইসঙ্গে তলব করা হয়েছে অভিজিৎ বাবুর আইনজীবী শঙ্খজিৎ মিত্রকেও। ইতিমধ্যেই সিবিআই-র তরফে আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, টালা থানার ওসি একজন সন্দেহভাজন। পুলিশ হিসাবে নিজের দায়িত্ব পালন করেননি। ধর্ষণ ও খুনের মামলায় যতটা সতর্ক থাকা উচিত ছিল, ততটা থাকেননি। প্রমাণ লোপাট হয়েছে। তাঁর তত্ত্বাবধানেই অটোপসি, ফিঙ্গারপ্রিন্ট, ফুটপ্রিন্ট নষ্ট হয়েছে। এমনকী ভুয়ো রিপোর্ট তৈরিতেও ওসির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার।’ সিবিআই জানিয়েছে, তিলোত্তমা খুনের ঘটনায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ২৩৮ ধারায় তথ্যপ্রমাণ লোপাট , ১৯৯ ধারায় সরকারি কর্মী হিসেবে দায়িত্ব পালন না করা এবং ৬১/২ ধারায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ আনা হয়েছে অভিজিৎ মণ্ডল, সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে।

#Malay dutta #Tala OC #RGkarHospital  #RGkarPrincipalSandeepGhosh  #RGKARDoctorDeath  #Latestbengalinews  #FormerOCAbhijitMondal #Talapolicestation

About Post Author