Home » মহানন্দার তীরে পরিত্যক্ত সদ্যোজাতের দেহ, খুবলে খেল কুকুর

মহানন্দার তীরে পরিত্যক্ত সদ্যোজাতের দেহ, খুবলে খেল কুকুর

সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৯ সেপ্টেম্বর: মহানন্দার তীরে সদ্যোজাত শিশুর অর্ধমৃত দেহ, প্রায় অর্ধেক খুবলে খেয়েছে কুকুর। হাড়হিম করে দেওয়া ঘটনা ঘটল শিলিগুড়ি জেলার ফুলবাড়ির পশ্চিমধনতলা এলাকায়। রবিবার এলাকাবাসীরা খেয়াল করেন সদ্যোজাতের পরিত্যক্ত দেহ কামড়াচ্ছে কুকুরটিকে। তৎক্ষণাৎ তাড়া দিলে চলে যায় কুকুরটি। রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও প্রাণে বাঁচানো যায়নি। হাসপাতালের চিকিৎসক কিছুক্ষনের মধ্যেই তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

আরও পড়ুন: ফের যৌন হেনস্থা কলকাতার ব্যস্ত রাস্তায়, অভিযোগ ৫৮ বছরের রিকশা চালকের বিরুদ্ধে

রবিবার সকালে মহানন্দার পারে এসে স্থানীয় বাসিন্দারা দেখেন একটি কুকুর কিছু একটা খুবলে খাচ্ছে। চারপাশে ছড়িয়ে রক্ত। রক্ত লেগে পশুটির মুখেও। স্থানীয়দের সূত্রে খবর, প্রথমে তাঁরা বুঝতে পারেননি ওটা কী খাচ্ছিল কুকুরটি। তার পর কাছে যেতেই ওই বীভৎস দৃশ্য দেখে কার্যত স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল প্রত্যক্ষদর্শীরা। একটি পরিত্যক্ত সদ্যোজাত শিশু আধমরা অবস্থায় পড়ে আছে নদীর তীরে। তাঁকে কিছুটা খুবলে খেয়েছে একটি কুকুর। গোটা শরীরে রক্ত মাখামাখি। দেখা মাত্রই তাঁদের তাড়া খেয়ে কুকুরটি পালিয়ে যায়। কিন্তু ওই সদ্যোজাতের শরীরে তখন প্রাণ ছিল কি না, তা স্পষ্ট বুঝতে পারেনি এলাকাবাসী। ক্ষতবিক্ষত দেহটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় তাঁরা। তবে সদ্যোজাতকে মৃত ঘোষণা করে দেয় হাসপাতালের এক চিকিৎসক। ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে পৌঁছয় নিউ জলপাইগুড়ি থানার পুলিশ। কোথা থেকে মহানন্দার তীরে ওই সদ্যোজাত এল? কে বা কারা তাকে ফেলে রেখে গেল? কেনই বা সদ্যোজাত একটি শিশুর সঙ্গে এই ধরনের অমানবিক আচরণ করা হল?  উঠছে একাধিক প্রশ্ন। 

আরও পড়ুন: কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ল্যাবরেটরিতে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ সুদীপ্ত রায়ের বিরুদ্ধে, অধ্যক্ষকে চিঠি স্টুডেন্টস ইউনিয়নের

ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। যে স্থানে থেকে শিশুটির দেহ উদ্ধার হয়েছিল তার আশপাশটাও পর্যবেক্ষণ করেছে তাঁরা। ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী কমলা কাপাসিয়া জানিয়েছেন, ‘‘বাচ্চাটি কী করে এখানে এল, কেউ ফেলে গিয়েছে, নাকি কুকুরে টেনে এনেছে আমরা জানিনা। নদীর তীরে দেখতে পেলাম কুকুরটি ওই সদ্যোজাতটিকে খুবলে খাচ্ছিল। দেখামাত্রই পশুটিকে তাড়িয়ে পুলিশে খবর দিয়েছি। বাচ্চাটিকে দেখে বোঝাও যাচ্ছিল না প্রাণে বেঁচে আছে কি না!’’

About Post Author