Home » বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, পরে বিষ খাইয়ে খুন, মেদিনীপুরে অভিযোগ দুই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে

বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ, পরে বিষ খাইয়ে খুন, মেদিনীপুরে অভিযোগ দুই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৬ অক্টোবরঃ আরজি কর-কাণ্ডের পর নারি সুরক্ষা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছিল তা কার্যত প্রশ্নই রয়ে গিয়েছে। উত্তরে দেখা নেই! শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরে এক শিশুকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার পর এ বার শিরোনামে পূর্ব মেদিনীপুর। রাস্তায় বেড়িয়ে এতদিন মেয়েরা নিজেদের অসুরক্ষিত মনে করছিল। এদিন এক মহিলাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর বিষ খাইয়ে খুনের অভিযোগ উঠল ভূপতিনগরে। অভিযোগ দুই প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্তে নেমেছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। 

আরও পড়ুনঃ Arjun Singh: ‘নবান্ন থেকে আমাকে খুনের পরিকল্পনা মমতার..’, বাড়িতে বোমাবাজীর ঘটনায় বিস্ফোরক ব্যারাকপুরের প্রাক্তন সাংসদ

স্থানীয়দের সূত্রে খবর, কিছুদিন আগে একটি ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ওই মহিলাকে মারধর করেছিলেন অভিযুক্ত। সেখান থেকেই সম্ভবত ক্ষোভের সূত্রপাত। শনিবার নিজের বাড়ি থেকে ওই মহিলাকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ। তার পর বিষয়টি যাতে প্রকাশ্যে না আসে, সেই জন্যে মহিলার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়। জানাজানি হতেই স্থানীয়রা মহিলাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যায়। তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন নির্যাতিতা। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই রবিবার সকালে উত্তেজিত এলাকাবাসীরা এক অভিযুক্তের বাড়িতে চড়াও হয়ে তাঁকে পাকরাও করেন। মাঝবয়সি ওই ব্যক্তিকে প্রায় অর্ধনগ্ন অবস্থায় গ্রামের রাস্তায় ফেলে বাঁশ, লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করেন গ্রামবাসীরা। হামলায় এগিয়ে এসেছেন মূলত গ্রামের মহিলারাই। সেখান থেকে অভিযুক্তকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে ভূপতিনগর থানার বিশাল পুলিশবাহিনী। কার্যত পুলিশকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখিয়েছে এলাকাবাসীদের একাংশ। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে ধর্ষণ এবং বিষ খাওয়ানোর অভিযোগ জমা পড়েনি। তদন্ত চলছে। ধর্ষণ করে খুন করার অভিযোগ সত্যি কি না, তা তদন্তসাপেক্ষ।

আরও পড়ুনঃ “নামেই আছে ফাঁড়ি, কাজে আসে না”, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগে জ্বলছে জয়নগর

আরও পড়ুনঃ পুজোর সময় শিয়ালদহ-হাওড়ার বিভিন্ন শাখায় মধ্যরাতেও চলবে বিশেষ ট্রেন

মৃতার পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁর স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। ওই মহিলার পুত্রের কথায়, “আমিও বাড়ি ছিলাম না, সেই সুযোগেই ওরা মাকে একা পেয়ে যায়। তারপর মুখে কাপড় বেঁধে পিছনের দরজা দিয়ে তুলে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি বস্ত্রহীন অবস্থায় পড়ে আছে মা। মুখ দিয়ে ফ্যানা বেরোচ্ছে।”

About Post Author