Home » ঢাকার পুজো মন্ডপে পেট্রোল বোমা! নাশকতার অভিযোগে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা পুলিশের

ঢাকার পুজো মন্ডপে পেট্রোল বোমা! নাশকতার অভিযোগে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা পুলিশের

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১২ অক্টোবর: এই প্রথম নয়! দুর্গাপুজো নিয়ে ওপার বাংলায় জটিলতা প্রতি বছরের বিতর্কিত বিষয়। আর তা এড়াতে দুর্গাপুজোর সময় বাংলাদেশের বিভিন্ন পুজোমণ্ডপ ঢেকে ফেলা হয়েছিল কড়া নিরাপত্তার চাদরে। সম্প্রতি বাংলাদেশেই শাসন ক্ষমতার পরিবর্তন হয়েছে। এখন দেশ চালাচ্ছেন মহম্মদ ইউনূস। তাঁর নিরীক্ষনেই শান্তিপূর্ণ ভাবে কেটেছিল পুজোর প্রথম তিনটি দিন। তবে সেই শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হল না । কিন্তু গন্ডগোল বাঁধল একেবারে শেষ লগ্নে। শুক্রবার রাতে পুরাতন ঢাকার তাঁতিবাজারের একটি পুজোমণ্ডপে ছোড়া হল ‘পেট্রলবোমা’! প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পুজোমণ্ডপের পাশের একটি গলি থেকে কয়েকজন যুবক মণ্ডপ লক্ষ্য করে একটি বোতল ছুড়ে মারে। স্বেচ্ছাসেবকেরা হামলাকারীদের ধরতে গেলে তারা ছুরিকাঘাত করে। যার জেরে জখম দীপ্ত দে, ঝন্টু ধর, খোকন ধর, সাগর ঘোষ ও মহম্মদ রমিজ উদ্দিন। সকলের বয়স ২৫ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে। তাঁরা স্যর সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিশ সূত্রে খবর পাঁচজনই এখন বিপদমুক্ত।

আরও পড়ুন: বারাসাত ১১-র পল্লী : রামকৃষ্ণ মঠের রীতিনীতি মেনে দুর্গা পুজোয় সামাজিক কর্মকাণ্ডের মহোৎসব

এদিন হামলার বিষয়টি এড়িয়ে গিয়েছেন ঢাকা পুলিশের আইজিপি মহম্মদ ময়নুল ইসলাম। তাঁর বক্তব্য, ‘‘এবারের দুর্গাপুজো করাটাই কঠিন ছিল। অনেকের আশঙ্কা ছিল এবার দুর্গাপুজো হবেই না। তবে আমরা বলেছিলাম ওয়াজ5হবে। নিরাপত্তা দেব। পুজো শুরুর আগে মানুষকে আশ্বস্ত করেছি, শান্তিপূর্ণভাবে পুজো উদ্যাপিত হবে। এবার দুর্গাপুজো অনেক জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়েছে।” রাজধানীর প্রতিটি মন্ডপে পরিদর্শন করে দেখেছেন পুলিশ কর্তা। তাঁর কথায়, “দেশে ৩২ হাজারের বেশি পুজোমণ্ডপে দুর্গাপুজো উদযাপিত হচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষিপ্তভাবে অনেক ঘটনা ঘটেছে, পুলিশ সবকটির বিরুদ্ধেই পদক্ষেপ নিয়েছে। এখন পর্যন্ত ৩৫টি অপ্রীতিকর ঘটনার ১১টি মামলা ও ২৪টি জিডি পড়েছে পুলিশের খাতায়। এই সবকটি অপ্রীতিকর ঘটনার তদন্তে পুলিশ ইতিমধ্যে মোট ১৭ জনকে গ্রেফতারও করেছে।”

আরও পড়ুন: রাতে লেডিস টয়লেটে আপত্তিকর অবস্থায় যুবক! চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে

এদিন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার রেজাউল করিম মল্লিক তাঁতিবাজার পুজোমণ্ডপে হামলার খবর পেয়ে সেখানে গিয়েছিলেন। পুজোমন্ডপে সাংবাদিকরা তাঁকে হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে একটা ছিনতাইয়ের চেষ্টা। ঘটনাস্থল থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। আটক একজনের কাছ থেকে একটি স্বর্ণালঙ্কার উদ্ধার করা হয়েছে।” তবে তাঁতীবাজার পুজো উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক বিজয় শাহ বলেন, ”পেট্রলবোমা হামলা ও ছিনতাই দুটি পৃথক ঘটনা। পুজোমণ্ডপে নাশকতার জন্য পেট্রলবোমা হামলা করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে পেট্রল ভর্তি একটি বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

About Post Author