সময় কলকাতা, স্পোর্টস ডেস্ক, ১৯ অক্টোবর: আইএসএলের প্রথম ডার্বি জয় মোহনবাগানের। ডার্বির সন্ধ্যা, যুবভারটিতে বাঁধভাঙা উচ্ছাস সমর্থকদের। ইন্ডিয়া পাকিস্তানের পর ভারতের সবচেয়ে বড় ডার্বি ইস্টবেঙ্গল বনাম মোহনবাগান। শনিবার ডার্বি মঞ্চে ফের স্নায়ুর লড়াইয়ে পিছিয়ে গেল ইস্টবেঙ্গল। খেলা শুরুর ৪১ তম মিনিটে জামিয়া ম্যাকলারেনের অসাধারণ গোলে এগিয়ে যায় সবুজ মেরুন। তারপর আক্রমণ পাল্টা আক্রমণ চললেও দীর্ঘ্যসময় গোল আসেনি কারও পা থেকে। এরপর খেলার একেবারে শেষ লগ্নে ৮৯ মিনিটে ব্যবধান বাড়ায় দিমিত্রি পেত্রাতোস। তারপর যেন হার নিশ্চিত বুঝে মনবল হারিয়ে ফেলে লাল হলুদ। নির্ধারিত সময় শেষে ২-০ গোলের পড়ত নিয়েই জয় পেল শুভাশিসরা। আইএসএলে আবার হারের সম্মুখীন লাল-হলুদ শিবির।

উভয় দলের কোচই শনিবার প্রথম কলকাতা ডার্বির সাক্ষী হলেন। এরআগে আইএসএলে কোচিং করালেও দল নিয়ে ডার্বি খেলতে নামেননি হোসে মোলিনা। অন্যদিকে কার্লেস কুয়াদ্রাতের জায়গায় সদ্য দায়িত্ব নিয়েছেন অস্কার ব্রুজো। কার্যত বাগানের বিরুদ্ধে এটাই অভিষেক ম্যাচ ছিল তাঁর। আর সেই অভিষেকেই যবনিকা পতন।
এদিন অগ্নিশিখা ছড়িয়ে পড়ার সুযোগই দিলো না মোহনবাগান, কার্যত দাবানল সৃষ্টির প্রশ্ন আসেই না। আইএসেলের এবারের ডার্বিতে বাগানের পাল্লা আগে থেকেই ভারী ছিল। ছন্দে নেই ইসবেঙ্গলের গোটা দল। টানা আট ম্যাচ হেরে (যার মধ্যে শেষ পাঁচটি হেরেছে চলতি আইএসএলে) তাঁরা নেমেছিল যুবভারতীতে। সামনে লিগ টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে থাকা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান। কার্যত বাড়তি চাপ আগে থেকেই ছিল। তবুও খেলা শুরু প্রথম ৪০ মিনিট স্নায়ু সামলে রেখেছিল লাল হলুদ। তবে বাগানের আগ্রাসন বারবার কাঁপিয়ে তুলেছিল তাঁদের। মরসুমের প্রথম দিকে বাগানের রক্ষণ নিয়ে একটু সমস্যা দেখা গিয়েছিল, দুরান্ড কাপে এসফলতা তাঁর প্রমান। তবে আইএসএলে জোড়া বিদেশি ডিফেন্ডার খেলিয়ে সেই চির মেরামত করেছেন মোলিনা। যার জেরেই ডার্বিতে হাঁসতে হাঁসতে জয় ছিনিয়ে নিল সবুজ মেরুন। দুই অস্ট্রালিওর গোলে বাজিমাত করল তাঁরা।
ডার্বি জিতে এখন মোহনবাগান পয়েন্ট তালিকার দ্বিতীয় স্থানে। চলতি আইএসএলে একমাত্র বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে একটি ম্যাচই হেরেছে তাঁরা। আপাতত বাগনের পয়েন্ট সংখ্যা দশ। অন্যদিকে লিগের পরপর পাঁচটি ম্যাচ হেরে সবার নীচে ঠাঁই পেয়েছে কলকাতার আরেক প্রধান।


More Stories
জেসুস এবার বার্সেলোনায়
ছয় বিদেশীতে মোহনবাগান প্রস্তুত, জেরবার ইস্টবেঙ্গল, কবে আসছেন এফিয়ং?
সিরিজের মাঝপথে পাকিস্তানের ৭ প্লেয়ার ছাঁটাই