সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩০ অক্টোবর: একেরপর এক শুটআউট রাজ্যে। অক্টোবরে এই নিয়ে চার। মুশির্দাবাদে দ্বিতীয়। সপ্তাহ দুয়েক আগে বহরমপুরে খুন হয়েছিল এক ব্যবসায়ী। এবার ফরাক্কায় আরেক ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন করা হল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল শোরগোল এলাকায়। দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। কে বা কারা গুলি করেছে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুনঃ Shootout: ফের শুটআউট খাস কলকাতায়! রাস্তায় ফেলে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা যুবককে
পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত ইয়াদ আলি মুর্শিদাবাদের সুতি থানার কাশিমনগরের বাসিন্দা তিনি। পেশায় ছোট ব্যবসায়ী। নিজের একটি হার্ডওয়্যারের দোকান আছে। সেখানেই বসতেন তিনি। বুধবার সকালে রোজকার মত দোকানে যান ইয়াদ। তিনি দোকানে থাকাকালীন সকাল ৯টা নাগাদ দুই যুবক ইয়াদ আলির দোকানে আসে। সেই সময় দোকানে সিমেন্ট কিনছিলেন কাবিরুল শেখ নামে এক ক্রেতা। অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করেই গুলি চালায় ওই দুই যুবক। গুলির গতিপথ থেকে প্রাণ বাঁচাতে সরে যায় কাবিরুল। ভুলবশত গুলি গিয়ে লাগে লক্ষ্য করে ইয়াদের বুকে। রক্তাক্ত অবস্থায় দোকানের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন ব্যবসায়ী। এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়র চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। স্থানীয়দের উদ্যোগে তড়িঘড়ি আহত ইয়াদ আলিকে জঙ্গিপুর হাসপাতালে নিয়ে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। হাসপাতলের ডাক্তাররা তাঁকে মৃত ঘোষনা করে। ইতিমধ্যেই দেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ। গুলি করে পালানো অভিযুক্তদের খোঁজ চলছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জেনেছে, যে ব্যক্তিকে মারতে এসেছিল দুই দুষ্কৃতী। সেই কাবিরুল শেখ জুয়ারি হিসেবে এলাকায় পরিচিত। সন্দেহ করা হচ্ছে, জুয়া খেলাকে কেন্দ্র করেই শত্রুতা ম আর তার জেনেই এই আকস্মিক শুটআউট।
প্রসঙ্গত, গত ১২ অক্টোবর মুর্শিদাবাদের সদর শহর বহরমপুরে দুষ্কৃতীদের গুলিতে প্রাণ হাড়িয়েছিলেন এক জমির ব্যবসায়ী। সকালে প্রাত ভ্রমণে বেরিয়ে খুন হয়েছিলেন তিনি। ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে ৭-৮ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছিল। দুষ্কৃতীদের গুলিতে কার্যত ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিল ব্যবসায়ীর দেহ। যার জেরে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে রাস্তাতেই মৃত্যু হয়েছিল তাঁর। এদিন জেলায় ফের দিবালকে শুটআউটে প্রাণ হারালেন আরেক ব্যবসায়ী। কাজেই জনগনের নিরাপত্তায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন জোরালো হয়ে উঠছে।


More Stories
ঋতব্রত সন্দীপনের বহিষ্কারের চিঠিতে কী কী লেখা হয়েছে?
গ্রেফতারির ভয়ে আগাম জামিনের আবেদন অরূপ বিশ্বাসের
বঙ্গে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভার গঠন