সময় কলকাতা ডেস্ক, ২৪ নভেম্বর: বাড়ির শৌচাগার থেকে উদ্ধার শিশুর মৃতদেহ। হুগলির বলাগড়ে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাড়ি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ শিশুকে খোঁজাখুঁজি করতে গিয়ে রবিবার ভোরে শৌচালয় তাঁর দেহ উদ্ধার করেছে পরিবার। শিশুর মৃত্যু কী ভাবে হল? তা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারছে না পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে। প্রাথমিক তদন্ত থেকে পুলিশের ধারণা খুন করা হয়েছে শিশুটিকে। ঘটনায় ইতিমধ্যে ওই বাড়ির তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। সেই তালিকায় রয়েছেন শিশুর ঠাকুরদা, ঠাকুমা এবং জেঠিমা।

আরও পড়ুনঃ দাদাগিরির অভিযোগ পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে! অভিযোগকারী পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য
পুলিশ জানিয়েছে, মৃতা শিশুর নাম স্বর্ণাভ সাহা। বাড়ি বলাগড় থানার অন্তর্গত গুপ্তিপাড়া বাধাগাছি এলাকায়। বাবা যাদব সাহা পেশায় গাড়িচালক। শনিবার সকাল থেকেই স্বর্ণাভকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। প্রায় ২০ ঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পরে রবিবার ভোরে ঠাকুরদা শম্ভু সাহার শৌচালয় থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয় শিশুকে। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শনিবার সকালে বাড়ি থেকেই রহস্যজনক ভাবে শিশু নিখোঁজ হয়ে যাওয়ার পর খবর দেওয়া হয় বলাগড় থানায়।
আরও পড়ুনঃ দ্বিতীয় দিনে বদলে গেল ভারতীয় ব্যাটিংয়ের চালচিত্র, অজি বোলারদের পরীক্ষা নিচ্ছেন যশস্বী
বাবা-মায়ের সন্দেহ দাদু-ঠাকুমা শিশুর মৃত্যুর সঙ্গে যুক্ত। রবিবার ঘটনাস্থলে যান হুগলি গ্রামীণ পুলিশের অতিরিক্ত সুপার কল্যাণ সরকার, ডিএসপি (ক্রাইম) অভিজিৎ সিংহ মহাপাত্র। শিশুর সন্ধান পাওয়ার জন্য হুগলি গ্রামীণ পুলিশের সমাজমাধ্যমের পাতাতেও পোস্ট করা হয়। ড্রোন উড়িয়ে, স্নিফার ডগ এনে চলে খোঁজাখুঁজি। শেষে ওই বাড়ির ভিতরেই শৌচালয় থেকে পাওয়া যায় শিশুর দেহ। কী কারণে শিশুর মৃত্যু হল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বাড়িতে শৌচালয়ের ভিতরে দেহ পড়ে থাকার পরেও কেন দীর্ঘ ক্ষণ সেটি অগোচরে থেকে গেল, পুলিশের প্রশ্ন নাতির দেহ এতক্ষণ ধরে পড়ে থাকার পরেও কেন দাদু-ঠাকুমার চোখে পড়ল না! পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের সন্দেহ, বাড়ির ভিতরেই কিছু ঘটে থাকতে পারে। পরিবারের দাবি, ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে এই মামলার বিচার হোক।


More Stories
লজে পরকীয়া-ব্যাভিচার, হাতেনাতে পাকড়াও সন্তানের জননী ও প্রেমিকপুরুষ
ইন্দাসের ঘটনায় ককরোচের প্রশাসনকে ডেডলাইন
আশীষ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “আত্মহত্যায় ইন্ধন” যোগানোর গুরুতর অভিযোগ বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে