Home » ঘুমন্ত স্বামীকে গলার নলি কেটে খুন করল স্ত্রী, নেপথ্যে কী কারণ? খোদ জানালেন অভিযুক্ত

ঘুমন্ত স্বামীকে গলার নলি কেটে খুন করল স্ত্রী, নেপথ্যে কী কারণ? খোদ জানালেন অভিযুক্ত

সময় কলকাতা ডেস্ক, ৭ ডিসেম্বর: স্ত্রীর হাতে খুন স্বামী। ঘুমন্ত অবস্থায় গলার নলি কেটে নিজের স্বামীকে খুন করার নেপথ্যে পারিবারিক অশান্তি রয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ। হাঁসুয়া দিয়ে স্বামীকে খুন করার পর পুলিশের কাছে গিয়ে খুনের কথা স্বীকারও করে নিয়েছেন ওই মহিলা।

আরও পড়ুন: Mohammedan Sporting Club: পঞ্জাবের বিরুদ্ধে হেরে দলের রোগ ধরলেন চের্নিশভ, কোথায় সমস্যা মহামেডানের?

শুক্রবার মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম বর্ধমানের কাঁকসার রাজবাঁধ এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম চুনা কোড়া। বয়স ৫০ বছর। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এলাকাবাসীরা প্রৌঢ়ের স্ত্রী অম্বু কোড়াকে খুনের অভিযোগে আটকে রেখেছিলেন। পুলিশ গিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা সহজেই স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত। স্থানীয় সূত্রে খবর, দম্পতি মধ্যে কলহ নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। স্বামী নেশা করে স্ত্রীর উপর অত্যাচার করতেন বলে দাবি করেছেন অম্বু। পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতেও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি হয়েছিল। তার পর স্বামী ঘুমোতে চলে যান। সেই সময় হাঁসুয়া দিয়ে স্বামীর গলা কেটে দেন স্ত্রী।

আরও পড়ুন: “অগণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত”, মুখ্যমন্ত্রী ফডণবীসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, শপথ গ্রহণ বয়কট মহা বিকাশ আঘাড়ির বিধায়কদের

বাবার মৃত্যু ও মায়ের গ্রেফতারির খবর পেয়ে দম্পতির তিন সন্তান। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গিয়েছে। ছেলে কাজের সূত্রে বাড়ি থেকে দূরে থাকেন। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাবাসীদের মধ্যে। এই বিষয়ে কাঁকসা থানার এসিপি সুমন জয়সওয়াল জানান, ‘‘বাড়িতে শুধু স্বামী-স্ত্রী ছিলেন। দু’জনের মধ্যে অশান্তি লেগেই থাকত। স্বামী নেশা করতেন। শুক্রবার রাতে চুনা কোড়া ঘুমিয়ে ছিলেন। তখনই হাঁসুয়া দিয়ে স্ত্রী তাঁর গলা কেটে দেন। এলাকাবাসীরা জানতে পারেন। মহিলাকে আটকে রেখেছিলেন। পুলিশের কাছে স্বামীকে খুনের কথা বলেছেন অম্বু। এ নিয়ে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মৃতের দেহও ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।’’

আরও পড়ুন: রাজ্যসভার সাংসদ অভিষেক সিংভির আসনে নোটের বান্ডিল! তদন্তের নির্দেশ চেয়ারম্যান ধনকড়ের

About Post Author