Home » দক্ষিণ সুদানের ৱ্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স যোদ্ধাদের দৈনন্দিন কর্মসূচি যেন গণধর্ষণ

দক্ষিণ সুদানের ৱ্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স যোদ্ধাদের দৈনন্দিন কর্মসূচি যেন গণধর্ষণ

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৬ ডিসেম্বর : দৈনন্দিন কর্মসূচি যেন গণধর্ষণ । দক্ষিণ সুদানে ৱ্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সকে রেপিস্ট ফোর্স বলার মত অভিযোগ উঠছে। একের পর এক যৌন নিগ্রহের অভিযোগ উঠছে তাদের বিরুদ্ধে।

হিউম্যান রাইটস  ওয়াচে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন অনুযায়ী,  ৱ্যাপিড সাপোর্ট ফোর্স (RSF)  -এর যোদ্ধারা এবং সহযোগী মিলিশিয়ারা ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর থেকে সুদানের দক্ষিণ কর্ডোফান রাজ্যে যৌন দাসত্বের প্রেক্ষাপট সহ অসংখ্য নারী ও মেয়েকে ধর্ষণ করেছে এবং এই নৃশংসতা আজও বজায় রয়েছে।এই ধরনের যৌন যৌন নিগ্রহ ও হিংসা  যুদ্ধাপরাধের আইনের অন্তর্গত তথা মানবতার বিরুদ্ধেও অপরাধ হিসাবে তুলনীয় বলে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ মন্তব্য করেছে। অসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা এবং ন্যায়বিচার প্রদানের জন্য অর্থপূর্ণ আন্তর্জাতিক পদক্ষেপের জরুরি প্রয়োজন বলেও দাবি করা হয়েছে।

গণহারে ধর্ষণ ও গণধর্ষণের প্রসঙ্গে সম্প্রতি  নিগৃহীতা এক ৩৫ বছর বয়সী নুবা সম্প্রদায়ের মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ করে বলেছেন যে,   ইউনিফর্ম পরা ছয়জন আরএসএফ যোদ্ধা তার বাড়ির চত্বরে  ঢুকে পড়ে, একজন লোক বলেছিল, “তুমি নুবা, আজ তোমার দিন।”এরপর ওই ব্যক্তিরা তাকে গণধর্ষণ করে।
“আমার স্বামী এবং আমার ছেলে আমাকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছিল, তাই আরএসএফ যোদ্ধাদের একজন তাদের গুলি করে হত্যা করেছিল।তারপর তারা ছয়জনই আমাকে ধর্ষণ করতে থাকে,” সে বলল।

হিউম্যান রাইটস ওয়াচের সহযোগী ক্রাইসিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট ডিরেক্টর বেলকিস উইল বলেন, “আরএসএফ যোদ্ধাদের দ্বারা যৌনদাসী হিসেবে বন্দী থাকা সহ, তাদের পরিবারের সামনে বা দীর্ঘ সময় ধরে গণধর্ষণ করা হয়েছে বলে জীবিতরা বর্ণনা করেছেন।”তিনি আরও বলেছেন,”জাতিসংঘ এবং আফ্রিকান ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলির উচিত বর্বর এবং ভয়াবহ অত্যাচারের শিকার মহিলাদের সহায়তা করা , অন্যান্য নারী ও মেয়েদের রক্ষা করা এবং এই জঘন্য অপরাধের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য জরুরিভাবে কাজ করা ।”

দৈনন্দিন কর্মসূচি যেন গণধর্ষণ #দৈনন্দিন কর্মসূচি যেন গণধর্ষণ

আরও পড়ুন বিবাহ বহির্ভুত সম্পর্কের জেরে দ্বিতীয় স্বামীর যৌনাঙ্গ কাটল স্ত্রী! চাঞ্চল্য মুর্শিদাবাদের ডোমকলে

About Post Author