Home » অবশেষে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার ‘কালীঘাটের কাকু’

অবশেষে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার ‘কালীঘাটের কাকু’

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ ডিসেম্বর: চলল দীর্ঘ টানাপোড়েন। অবশেষে ইসিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার কালীঘাটের কাকু। হত ৬ ডিসেম্বর ইডির মামলা থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র। তবে চলছিল সিবিআইয়ের মামলা। মঙ্গলবার তাঁকে ভারচুয়ালি আদালতে পেশ করার পরই গ্রেপ্তারের নথি আদালতে পেশ করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। অবশেষে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার কালীঘাটের কাকু। জানা গিয়েছে, আদালতে সিবিআইয়ের যুক্তি, তদন্তের সূত্রে তাঁকে হেফাজতে নেওয়া প্রয়োজন। এদিন সুজয়কৃষ্ণের আইনজীবী আদালতে সিবিআইয়ের দাবির বিরোধিতা করলেও তাতে কোনও কাজ হয়নি।

আরও পড়ুন: ধর্মতলায় ধরনার অনুমতি খারিজ করল কমিশনার, চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে জুনিয়র চিকিৎসকরা

প্রসঙ্গত, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গত বছর ৩০ মে ইডির হাতে গ্রেফতার হন কালীঘাটের কাকু। নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে নেমে কালীঘাটের কাকুর বেহালার বাড়ি, অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। যেদিন এই তল্লাশি চলছিল, সেদিন আবার নিজাম প্যালেসে হাজিরা ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কালীঘাটের কাকুর বাড়ি ও অফিস থেকে ইডি বেরিয়েছিল ১৬ ঘণ্টা পর। জানা গিয়েছিল, প্রচুর নথি নাকি নিয়ে গিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, সেই নথির ভিত্তিতেই কালীঘাটের কাকুকে তলব করেছিল ইডি দফতরে। শেষ পর্যন্ত টানা ১১ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পর ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন অভিষেকের অফিসের কর্মচারী। ইডি সূত্রে এও জানা গিয়েছিল কালীঘাটের কাকু একাধিক কোম্পানির সঙ্গে জড়িত রয়েছে। লিপস অ্যান্ড বাউন্স প্রাইভেট লিমিটেড-এর এএমডি পোস্টে ছিলেন তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এই কোম্পানিরই ডিরেক্টরস বোর্ডের একটি তালিকায় নাম ছিল সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের। কিন্তু,লোকসভা ভোটের আগেই এই কোম্পানি থেকে ইস্তফা দেন কালীঘাটের কাকু। প্রাথমিক তদন্তে ইডি-র অনুমান ছিল, কালীঘাটের কাকু একাধিক কোম্পানির মাধ্যমে ঘুরপথে কালো টাকা সাদা করত।

About Post Author