সময় কলকাতা ডেস্ক, ৩১ ডিসেম্বরঃ ২০০৯ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন সিঙ্গুরের বাসিন্দাদের জন্য দুটি লোকাল ট্রেন উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। লোকসান বাঁচাতে এবার সেই দুটি ট্রেন তুলে নিয়েছে রেল। রেলের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে নেমেছেন সিঙ্গুরের সাধারণ মানুষ। বিক্ষোভের শামিল রাজ্যের মন্ত্রী বেচারাম মান্না।
মঙ্গলবার সিঙ্গুরের ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মে একটি অবস্থান-বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। মন্ত্রী-সহ অন্যান্য স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব সেখানে উপস্থতি ছিলেন। মন্ত্রী এদিন দাবি করেছেন, “কোনওভাবেই এই ট্রেন তুলে নেওয়া যাবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেলমন্ত্রী থাকাকালীন এই ট্রেন চালু করে নাম দিয়েছিলেন সিঙ্গুর আন্দোলন লোকাল।” সিঙ্গুরের ইতিহাসের সঙ্গেও এই দুটি ট্রেন জড়িয়ে আছে বলে দাবি করেন বেচারাম মান্না।
৯ দিন ধরে সব চেষ্টা ব্যর্থ! রাজস্থানের কুয়োয় হুকে ঝুলছে চেতনা, নড়ছে না শরীর
এদিকে পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, “যাত্রীদের চাহিদা অনুযায়ী দুটি সিঙ্গুর লোকালের একটি তারকেশ্বর থেকে ও একটি হরিপাল থেকে চলবে। তাতে সিঙ্গুরের যাত্রীদেরও সুবিধা হবে। ট্রেন তুলে নেওয়া হয়নি।” তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সিঙ্গুর জনবহুল এলাকা। আশপাশের ৫২টি গ্রামের মানুষ এই স্টেশন ব্যবহার করেন। আন্দোলন লোকাল ধরেও যাতায়াত করেন বহু নিত্রযাত্রী। এখন সিঙ্গুর থেকে ট্রেন না চললে অনেক যাত্রীই সমস্যায় পড়বেন। শুধু তাই নয়, দুটি ট্রেনের রুটই আরও বাড়ানো হয়েছে। তারকেশ্বর ও হরিপাল থেকে ট্রেন দুটি এখন হাওড়া যাবে। ফলে ওই দুই ট্রেনে যথেষ্ঠ ভিড়ও হবে। শুধুমাত্র সিঙ্গুর থেকে যাত্রীরা স্বচ্ছন্দে ট্রেনে আর উঠতে পারবেন না। রেলের দাবি, শুধু একটা স্টেশনের জন্য রেল চালানো যায় না। এতে বিপুল টাকার লোকশান হয়।


More Stories
হেলমেট নেই, পুলিশের হাতে হোমগার্ডের জরিমানা
বিজেপি-বিদ্রোহী তৃণমূলকে একযোগে নিশানা, তবুও বিরোধীদের প্রশংসা পাচ্ছেন কুণাল ঘোষ
বেআইনি এবং বেইমানি – “এরা মায়ের পিঠে ছুরি মারতে পারে”, নতুন কমিটি প্রসঙ্গে কুণাল