Home » সাতসকালে ভয়াবহ ভূমিকম্প!,পরপর ৬ বার আফটারশক! ধূলিসাৎ নেপাল-তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

সাতসকালে ভয়াবহ ভূমিকম্প!,পরপর ৬ বার আফটারশক! ধূলিসাৎ নেপাল-তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকা, বাড়ছে মৃতের সংখ্যা

সময় কলকাতা ডেস্ক:- সাতসকালে ভয়াবহ ভূমিকম্প ! নতুন বছরের শুরুতেই ফের ভয়াবহ ভূমিকম্পের স্মৃতি ফিরল নেপালে। রিখটার স্কেলে ৭.১ মাত্রায় কেঁপে উঠেছে নেপাল-তিব্বত সীমান্ত। পরপর ৬ বার আফটারশক! ধূলিসাৎ নেপাল-তিব্বতের বিস্তীর্ণ এলাকা। ক্রমাগত বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ইতিমধ্যেই ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে চিনা সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। গুরুতর আহত অন্তত ৩৮ জন। সংবাদসংস্থা রয়টার্স সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূমিকম্পে অন্তত ৩৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা।

তবে শুধু নেপাল-তিব্বত সীমান্তই নয়, সাত সকালে শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয় উত্তরবঙ্গ, বিহারের উত্তরাংশ-সহ দেশের বিভিন্ন অংশেও। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমিলজি সূত্রে খবর, সকাল ৬টা ৩৫ নাগাদ প্রথম কম্পনটি হয়। তার কিছুক্ষণ পরই কেঁপে ওঠে শিজাং। সকাল ৭টা ২ মিনিটে ৪.৭ মাত্রায় আফটার শক হয়। পাঁচ মিনিটের মাথায় ফের ৪.৯ মাত্রায় কেঁপে ওঠে শিজ্যাং। এখানেই শেষ নয়। আরও তিনবার লাগাতার আফটারশক হয় ওই এলাকায়। সবমিলিয়ে মঙ্গলবার সকালে ৬ বার কম্পন অনূভূত হয় নেপাল-তিব্বত সীমান্তে। আর তাতেই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দুই দেশের বিশাল এলাকাল। ভেঙে গুঁড়িয়ে গিয়েছে বাড়ি। এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বরেও ৬.৪ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে নেপালে। সেই বারের ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়।

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সেসমিলজির তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে যে প্রথম ভূমিকম্পটি অনূভূত হয়, তাতে কম্পনের উৎসস্থল নেপাল-তিব্বত সীমান্তের কাছে শিজাং । মাটি থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে কম্পন হয় রিখটার স্কেলে ৭.১ মাত্রায়। এই কম্পনের প্রভাব পড়ে দিল্লি, বিহার-সহ উত্তর ভারতের বিরাট অংশে। আতঙ্কিত হয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন মানুষ। নেপালে ভূমিকম্পের প্রভাবে মঙ্গলবার দিল্লি-এনসিআর এবং বিহারের বেশ কয়েকটি এলাকাও কেঁপে ওঠে। পশ্চিমবঙ্গেরও বিভিন্ন জায়গায় কম্পন অনুভূত হয়েছে। বছরের শুরুতেই ভূমিকম্পের আতঙ্কে ঘুম ভাঙে কলকাতার। উত্তরবঙ্গে পরপর ২ বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি। চিনা সংবাদমাধ্যমগুলির মতে, ভূমিকম্পে আপাতত ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে নেপাল এবং তিব্বতে। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় প্রবল ঠান্ডার কারণে উদ্ধারকাজে সমস্যা বাড়ছে। ফলে বাড়তে পারে মৃতের সংখ্যাও।

About Post Author