পুরন্দর চক্রবর্তী,সময় কলকাতা, ৩ মার্চ : মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ । স্বামীর নাম একডাকে চিনলেও তিনি ছিলেন অন্তরালে। তাঁর প্রয়াণের পরে তাঁর নাম জানছে মানুষ। কে ছিলেন মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ (Mansoureh Khojasteh Bagherzadeh)? তিনদিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে অবশেষে হার মেনেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী।
মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ ১৯৪৭ সালে ইরানের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মাশহাদে একটি ধর্মীয় ও সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোহাম্মদ ইসমাইল খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ ছিলেন মাশহাদের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী।১৯৬৪ সালে ১৭ বছর বয়সে তিনি আলী খামেনির সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
খামেনির স্ত্রী হিসেবে প্রায় ছয় দশক অতিবাহিত করলেও তিনি নিজেকে প্রচারের আড়ালে রাখতেই পছন্দ করতেন। তিনি কোনো প্রকার আনুষ্ঠানিক সরকারি পদ গ্রহণ করেননি এবং জনসম্মুখে তাকে খুব কমই দেখা যেত।
তাদের ছয়জন সন্তানের কথা জানা যায় —চার পুত্র (মোস্তফা, মোজতবা, মাসউদ এবং মেয়সাম) এবং দুই কন্যা (বোশরা এবং হোদা)।
তাঁর প্রয়াণ সম্পর্কিত তথ্য বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানা গিয়েছে তাঁদের আবাসে যে যৌথ হানা হয় তাঁর ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয় নি ।২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি তেহরানে মার্কিন-ইসরায়েল বিমান হামলায় খামেনির মৃত্যুর পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী গুরুতর আহত হন এবং তারপরে কোমায় চলে যান। ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন মনসুরেহ খোজাস্তেহ বাঘেরজাদেহ। ওই একই হামলায় আলী খামেনি এবং পরিবারের একাধিক সদস্য নিহত হয়েছেন।
#মনসুরেহখোজাস্তেহবাঘেরজাদেহ#ইরান#খামেনি
আরও পড়ুন ইরানে নারীমুক্তি : আয়াতুল্লা খামেইনি বলছেন এক, হচ্ছে আরেক


More Stories
আয়াতুল্লাহ খামেনি কি নিহত?
আবুধাবি, দুবাই, রিয়াদ, দোহায় বিস্ফোরণ
ইরানে ইজরায়েলের হামলা, ইরানের প্রত্যাঘাত