Home » রিঙ্গার ল্যাকটেট-সহ ১০ ওষুধ নিষিদ্ধ! বিষাক্ত স্যালাইনে প্রসূতি মৃত্যু

রিঙ্গার ল্যাকটেট-সহ ১০ ওষুধ নিষিদ্ধ! বিষাক্ত স্যালাইনে প্রসূতি মৃত্যু

সময় কলকাতা ডেস্ক:- বিষাক্ত স্যালাইনে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রসূতি মৃত্যু থেকে শিক্ষা! তড়িঘড়ি রিঙ্গার ল্যাকটেট-সহ ১০টি তরল ওষুধ নিষিদ্ধ করল রাজ্য সরকার। তরল ওষুধগুলির নাম উল্লেখ করে নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি স্বাস্থ্য দপ্তরের।

একনজরে নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকা…………

*রিঙ্গার ল্যাকটেট ৫০০ মিলি

*রিঙ্গার সলিউশন আইপি ইঞ্জেকশন ৫০০ মিলি

*ডেস্কট্রোস ইঞ্জেকশন ১০ % এমওএসএম/লিটার ৫০০ মিলি

*ম্যানিনটোল ইনফিউশন আইপি ২০% ১০০ মিলি

*প্যারাসিটামল ইনফিউশন ১০০০ এমজি/১০০ মিলি

*অফ্লাক্সোসিন-২০০মিলিগ্রাম/১০০ মিলি

*লেভোফ্লোক্সাসিন-১০০ মিলি

*১/২ ডিএনএস-৫০০ মিলি

*সোডিয়াম ক্লোরাইড ইরিগেশন সলিউশন- ৩ লিটার

পেডিয়াট্রিক মেন্টেনেন্স ইলেকট্রোলাইট সলিউশন-৫০০ মিলি

অভিযোগ গত সাতই জানুয়ারি রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর অভিযুক্ত সংস্থার স্যালাইন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কিন্তু অভিযোগ আজকের দিনেও শহরের নামি সরকারি হাসপাতাল গুলিতে ওই অভিযুক্ত সংস্থার স্যালাইন ব্যবহার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ডাক্তারদেরই একটা অংশ। পাশাপাশি তাদের দাবি এই সংস্থার বিরুদ্ধে কর্ণাটক সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের দারস্ত হয়েছিল। কর্ণাটক সরকারের পক্ষ থেকে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য দপ্তরের কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল এবং কর্ণাটকের একটি প্রতিনিধি দল এ রাজ্যে এসে স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের বিষয়টি নজরে আনেন এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার উত্তরবঙ্গের দুটি কারখানায় তারা ভিজিট করেন। দাবি করা হচ্ছে যে সেখানে কর্নাটক সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রতিনিধিরা দেখেন যে সঠিক পরিকাঠামো এবং সঠিক মান বজায় রেখে ওই সংস্থা এই সমস্ত অতি প্রয়োজনীয় চিকিৎসার দ্রব্যাদি তৈরি করছে না। তারপরই রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর সংস্থাকে ৭ই জানুয়ারি কালো তালিকাভুক্ত করে। এখন প্রশ্ন কালো তালিকা ভুক্ত একটি সংস্থার স্যালাইন বা ওষুধ বা চিকিৎসা দ্রব্যাদি কি করে আজ ১১ তারিখও রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে রোগীদের দেওয়া হয়। যেখানে রাজ্য সরকার জানিয়েছিল আপাতত ওই সংস্থার স্যালাইন ব্যবহার করা যাবে না আপাতত বিকল্প ব্যবস্থা যতক্ষণ না পর্যন্ত চালু হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাজার থেকে বিকল্প স্যালাইনের ব্যবস্থা করবে। তাহলে কি করে সরকারি হাসপাতাল গুলিতে আজও এই কালো তালিকাভুক্ত স্যালাইন ব্যবহার হচ্ছে এটাই লাখ টাকার প্রশ্ন।

About Post Author