সময় কলকাতা:- ভারতীয় সংসদের উভয় কক্ষেই বহু তর্ক বিতর্কের পর ওয়াকফ সংশোধনী বিলটি পাস হওয়ার পর, এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বিলটির আইনে রূপান্তরিত হওয়ার। কিন্তু ওয়াকফ বিল যে জাতীয় স্তরের রাজনীতিতে একটি জ্বলন্ত সমস্যা হিসেবে থেকে যাবে তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে বিজেপির বর্তমান ও প্রাক্তন সৈনিকদের মধ্যে বিলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া দ্বন্দ্বের মধ্যে।
বিহারে বিজেপির জোট-শরীক নীতিশ কুমারের জনতা দল (ইউনাইটেড) এর পাঁচজন নেতা দল ছেড়ে দিয়েছেন নীতিশ কুমার ওয়াকফ বিল সমর্থন করেছেন বলে।
উল্লেখ্য, বিহারে বেশ কিছু আসনে সংখ্যালঘুরা নির্ধারক ভূমিকায় রয়েছেন।
সামগ্রিকভাবে ওয়াকফ বিলকে সংখ্যালঘুরা তাদের অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ হিসেবেই দেখছেন।
অন্যদিকে, বিজেপির প্রাক্তন এবং অধুনা বিরোধী তথা ওড়িশার বিজু জনতা দলের রাজ্যসভার সাংসদ সস্মিত পাত্র ওয়াকফ বিলের সমর্থনে ভোট দেওয়ায় দলের মধ্যে চাপের পড়েছেন।
সস্মিতের দাবি, “দলের তরফে এ বিষয়ে কোনও হুইপ ছিল না। বরং দলের তরফে জানানো হয়েছিল যে সাংসদরা তাদের বিবেক অনুযায়ী ভোট দেবেন।”
যদিও বিজু জনতা দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের বক্তব্য, “হুইপ না থাকলেও দলের প্রধান নবীন পট্টনায়ক পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যসভায় ওয়াকফ বিলের বিরুদ্ধে ভোট দিতে হবে।”
উল্লেখ্য, বিজু জনতা দলের সাত জন সংসদের মধ্যে রাজ্যসভায় চার জন বিলের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছেন, দুজন পক্ষে দিয়েছেন, ও একজন বিরত থেকেছেন।
জাতীয় কংগ্রেসের বক্তব্য, যদি নবীন পট্টানায়েকের দল ওয়াকফ বিলের বিরোধীতা করতে ঐক্যবদ্ধ থাকত, তাহলে রাজ্য সভায় বিরোধী ভোটের সংখ্যা প্রায় ১০০ ছুঁয়ে যেত। কিন্তু নবীন পট্টনায়কের দলের সাংসদদের মধ্যে ঐক্যবদ্ধতা না থাকায় এই সংখ্যা ৯৫ তে এসে আটকে গেছে।


More Stories
নীতিশ জমানা শেষ, বিহারের সম্রাট নতুন মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর বুলডোজার মডেল
আশা ভোঁসলের হার্ট অ্যাটাক
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?