Home » মালদায় দুই নাবালিকা নিখোঁজ ঘিরে চাঞ্চল্য। অবশেষে মিলল তাদের খোঁজ

মালদায় দুই নাবালিকা নিখোঁজ ঘিরে চাঞ্চল্য। অবশেষে মিলল তাদের খোঁজ

সময় কলকাতা ডেস্ক:- মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত দুই নাবালিকা গত ৭ এপ্রিল বাবা মাকে না জানিয়েই হায়দ্রাবাদের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। হরিশ্চন্দ্রপুর থেকে প্যাসেঞ্জার ট্রেনে চেপে প্রথমে তারা নামে মালদায়। সেখান থেকে ওই দুই নাবালিকা জেনারেল টিকিট কেটে তিস্তা-তোর্সা ট্রেন ধরে গতকাল শিয়ালদহ নামে।

এরপর, শিয়ালদহ থেকে বাসে চেপে তারা আসে সাঁতরাগাছি স্টেশনে। সাঁতরাগাছি স্টেশনের এক নম্বর প্ল্যাটফর্মে দীর্ঘক্ষণ বসেছিল তারা। দুজনের মধ্যে কথোপকথনে সন্দেহ হয় পাশেই বসে থাকা আরেক যাত্রীর। সঙ্গে সঙ্গে সেই যাত্রী বিষয়টি স্টেশনে কর্তব্যরত জিআরপি আধিকারিকদের জানান।

এরপর, জিআরপি দুই নাবালিকাকে আটক করে জিআরপি থানায় নিয়ে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই তারা বাড়ি থেকে পালানোর কথা স্বীকার করে। ঠিক তারপরেই, রেল পুলিশের তরফে যোগাযোগ করা হয় হরিশ্চন্দ্রপুর থানায়।

সূত্রের খবর, সেখানকার থানার পুলিশ জানায় দুই নাবালিকার নামে ইতিমধ্যেই সেখানে মিসিং ডায়েরি ফাইল হয়েছে।

অবশেষে, হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ বুধবার নাবালিকাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সাঁতরাগাছি স্টেশনের জিআরপি থানায় এসে পৌঁছায়।

দুই নাবালিকাকে সুস্থ অবস্থায় তুলে দেওয়া হয় পরিবারের হাতে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হায়দ্রাবাদে কাজের টোপ দেওয়া হয়েছিল এই দুই নাবালিকাকে। চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে কেউ বা কারা তাদের ভিনরাজ্যে পাচারের চেষ্টা করছিল বলে অনুমান পুলিশের। ইতিমধ্যে, ঘটনার সাথে কে বা কারা জড়িত রয়েছে তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

প্রসঙ্গত, এই দুই নাবালিকা মালদার চাঁচেলের খরবা হরি-নারায়ণ এগ্রিল হাইস্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী। এই দুই নাবালিকা স্কুলে চলা টেস্ট পরীক্ষা দিয়ে গত ৭ তারিখ স্কুল থেকেই পালিয়েছিল হায়দরাবাদ যাওয়ার উদ্দেশ্যে। এরপর শুরু হয় চাঞ্চল্য। এই দুই নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা তাদের মেয়ে নিখোঁজ না পাওয়ায় স্কুলে গিয়ে ধর্নাও করেছিলেন।

About Post Author