সময় কলকাতা ডেস্ক:- আপৎকালীন পরিস্থিতিতে দলীয় কর্মীদের স্বেচ্ছাসেবক হতে আহ্বান জানাল বঙ্গ-বিজেপি। পহেলগামের বৈসরনে জঙ্গি হামলা ও তার পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের জেরে তৈরি হওয়া সম্ভাব্য যুদ্ধকালীন পরিস্থিতির মোকাবিলায় আজ, বুধবার গোটা দেশে মহড়ার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
পশ্চিমবঙ্গের ১৭ টি জেলায় এই ‘মক ড্রিল’ হওয়ার কথা। বঙ্গ বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার আজকের এই কর্মকাণ্ডে দলের নেতা–কর্মীদের এগিয়ে এসে স্বেচ্ছাসেবকের ভূমিকা পালন করার আহ্বান জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একই বার্তা দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।
রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল অবশ্য এই ‘মক ড্রিল’ নিয়ে কিছু প্রশ্ন তুলেছে। তাদের বক্তব্য, ভারতের তো এখন প্রত্যাঘাত করার কথা, সেখানে কেন্দ্রীয় সরকার আত্মরক্ষার কথা বলছে! তৃণমূলের মুখপাত্র জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘আমরা সবাই চাই, পহেলগামে যারা হত্যালীলা চালিয়েছে, তারা কঠোর শাস্তি পাক। ওই জঙ্গিদের মদতদাতাদেরও ভারত উচিতশিক্ষা দিক। কিন্তু ঘটনার পর এতদিন কেটে গেলেও এখনও কোনও রকম প্রত্যাঘাত আমরা দেখতে পেলাম না। উল্টে আত্মরক্ষা কী ভাবে করতে হবে, তার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে!’
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নির্দেশ দিলেও ‘মক ড্রিল’-এর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব রাজ্য সরকারের। সেখানে বঙ্গ বিজেপি কী ভাবে অংশ নেবে? এক বিজেপি নেতার ব্যাখ্যা, ‘এটা শুধু রাজ্য সরকারের বিষয় নয়। সাইরেন বাজলে ঘরের আলো বন্ধ করতে হবে। বিজেপি কর্মীরা সেই কাজটা করবেন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে। তা ছাড়া, মক ড্রিলের মূল উদ্দেশ্য হলো, যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কী ভাবে আত্মরক্ষা করতে হয়, সে বিষয়ে জনসাধারণকে সচেতন করা।’
সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশ অনুযায়ী, বুধবার পশ্চিমবঙ্গের বেশ কিছু জায়গায় মক ড্রিল হবে। সাধারণ নাগরিক হিসেবে বিজেপি কর্মীদেরও কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশগুলো অনুশীলন করতে আমরা বলেছি। ভারতীয় হিসেবে এটা আমাদের দায়িত্ব। দেশের স্বার্থে এটা আমাদের করতেই হবে।’


More Stories
ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীকে মমতা, খামে বন্দি ঋত শিবির
কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে বারাসাত থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার
‘দিল্লি কা লাড্ডু’ খেয়ে গাছের মগডালে : আহমেদ আনসারীর আশ্চর্য কাহিনী