সময় কলকাতা ডেস্ক:- বিহারের ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন ইস্যুতে প্রথম সরব হয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গত ২১ জুলাই কলকাতার ধর্মতলার সমাবেশ মঞ্চ থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বিজেপির বাংলা বিরোধী মনোভাব নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, বাংলা ভাষার বিরুদ্ধে সন্ত্রাস চলছে। নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিজেপি শাসিত রাজ্যে বাংলা বিরোধী সার্কুলার পাঠিয়েছে কেন্দ্র সরকার। সেই সার্কুলারের কপি এদিনের সভামঞ্চে তুলে ধরেন তৃণমূল নেত্রী।
তৃণমূল সুপ্রিমো সরব হওয়ার পরই তারপর কংগ্রেস-সহ ইন্ডিয়া জোটের বাকি দলগুলিও এ নিয়ে সরব হয়।
তৃণমূলের দেখানো পথ ধরেই সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার দাবি জানিয়ে যাচ্ছে গোটা ইন্ডিয়া জোট। বৃহস্পতিবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সংসদ শুরুর সঙ্গে সঙ্গেই বিহারে স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন বাতিলের দাবিতে স্লোগান দেওয়া শুরু করেন। ওয়েলে নেমে নিয়ে বিক্ষোভও দেখান বহু সাংসদ। বাধ্য হয়ে অধিবেশন মুলতুবি করে দিতে হয় দুপুর দুটো পর্যন্ত। রাজ্যসভাতেও একই পরিস্থিতি।
এরপর সংসদের বাইরেও সম্মিলিত ইন্ডিয়া জোট এই ইস্যুতে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। কংগ্রেস, তৃণমূল, আরজেডি, ডিএমকে-সহ ইন্ডিয়া জোটের সব শরিক ওই বিক্ষোভে শামিল হয়। যোগ দেন কংগ্রেস সংসদীয় দলের নেত্রী সোনিয়া গান্ধিও। সেখানেও বিহারের ভোটার তালিকার সংশোধন নিয়ে স্লোগান দেন বিরোধীরা।
তৃণমূল বলছে, স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন হচ্ছে এক রাজনৈতিক চক্রান্ত।
এর মাধ্যমে বিরোধী ভোটারদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে সরকার। বিজেপি শুধু বাংলাবিরোধী নয়, গণতন্ত্রবিরোধীও। সম্মিলিভাবে বিহারের ভোটার তালিকায় সংশোধন নিয়ে সরব হওয়ার পাশাপাশি ভিনরাজ্যে বাঙালিদের ‘নিগ্রহ’ নিয়েও সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।


More Stories
সব সরকার এক,আমাদের লোকেরা রাষ্ট্র বা সংবিধান বোঝে না : ক্ষুব্ধ বিজেপি সাংসদ
শতাধিক মহাকাশ বিজ্ঞানীর ইস্তফায় নতুন নির্দেশিকা জারি কেন্দ্রীয় সরকারের
বাড়ি রং করাও ধ*র্ষণ! ঋতব্রতকে নিয়ে ধর্ষ*কের নতুন সংজ্ঞা মদনের