Home » বিজেপির উপর অভিমান জগদীপ ধনকড়ের? প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক হিসাবে পেনশনের আবেদন

বিজেপির উপর অভিমান জগদীপ ধনকড়ের? প্রাক্তন কংগ্রেস বিধায়ক হিসাবে পেনশনের আবেদন

সময় কলকাতা ডেস্ক:- উপরাষ্ট্রপতির পদ থেকে আচমকা ইস্তফা দেওয়ার দীর্ঘদিন পর ফের খবরের শিরোনামে এলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড় রাজস্থান বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক হিসেবে পেনশনের আবেদন করেছেন। আর তাতেই নতুন করে চাঞ্চল্য পড়ে গিয়েছে।

কারণ, ধনকড় কেবল বিধায়ক ছিলেন তা নয়, তিনি লোকসভার এমপি, প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, রাজ্যপাল ও সবশেষে উপরাষ্ট্রপতি পদেও ছিলেন। তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে একাধিক সরকারি সুবিধা পাওয়ার কথা প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনকড়ের।

সেই সুবিধার জন্য এখনও তিনি আবেদন করেননি বলে খবর। রাজনৈতিক জীবনের শুরুটা ধনকড় কংগ্রেস থেকেই করেছিলেন। ১৯৯৩ সাল থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত রাজস্থানের আজমেঢ় জেলার কৃষ্ণগড় বিধানসভায় কংগ্রেসের টিকিটে বিধায়ক ছিলেন তিনি। পরে যোগ দেন বিজেপিতে। পরে সাংসদ হয়েছেন। কেন্দ্রের মন্ত্রী হয়েছেন। বাংলার রাজ্যপাল হয়েছেন। উপরাষ্ট্রপতির চেয়ারও সামলেছেন। সব পদেই তিনি পেনশন পাওয়ার যোগ্য।

কিন্তু তাৎপর্যপূর্ণভাবে কংগ্রেসের টিকিটে জিতে আসা বিধায়ক হিসাবে তিনি পেনশনের আবেদন করলেন। সূত্রের খবর, ধনকড়ের আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে। তাঁর পেনশন চালুর প্রক্রিয়া শুরুও হয়ে গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী তাঁর ৩৫ হাজার টাকা পেনশন পাওয়ার কথা।

সেই সাথে ৭০ বছর বয়স পেরনোর দরুন আরও ২০ শতাংশ অতিরিক্ত পাবেন। অর্থাৎ মোট ৪২ হাজার টাকা প্রতিমাসে পেনশন পাবেন তিনি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে গত সপ্তাহ পর্যন্তও ধনকড় প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হিসাবে প্রাপ্ত সুযোগ সুবিধার জন্য আবেদন করেননি।

নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছরের বেশি সময় দায়িত্ব সামলানোর পর যদি উপরাষ্ট্রপতি ইস্তফা দেন তাহলে তাঁকে অবসরপ্রাপ্ত উপরাষ্ট্রপতিদের মতোই সুযোগসুবিধা দেওয়া হয়।

সেই হিসাবে মাসিক ২ লক্ষ টাকার বেশি পেনশন পাওয়ার কথা ধনকড়ের। কেবল পেনশন নয়, আরও একগুচ্ছ সুযোগসুবিধা পাওয়ার কথা তাঁর। এছাড়াও দু’জন ব্যক্তিগত সচিব থাকবেন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির জন্য। তাঁর স্ত্রীর জন্যও থাকবে একজন ব্যক্তিগত সচিব।

এছাড়াও প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি যে সরকারি বাংলোতে থাকবেন সেখানকার ইলেকট্রিক এবং জলের বিলও মেটানো হবে সরকারের তরফে। কিছু আসবাবপত্র এবং দু’টি মোবাইল ফোনও সরকারের তরফে পাবেন ধনকড়। কিন্তু এত সব সুবিধার জন্য আবেদন না করে কংগ্রেস বিধায়ক হিসাবে পেনশনের আবেদন করাটা রাজনৈতিকভাবে বেশ তাত্পর্যপূর্ণ।

About Post Author