Home » প্রযুক্তি এবং আধুনিকতার ছোঁয়া আছে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে

প্রযুক্তি এবং আধুনিকতার ছোঁয়া আছে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপের বল প্রকাশ্যে এল।  বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো হ হবে ট্রাইওন্ডা বলে। বলটি বানিয়েছে অ্যাডিডাস।ট্রাইওন্ডা নামটি এসেছে দুটি শব্দ থেকে—‘ট্রাই’ ও ‘ওন্ডা’। ‘ট্রাই’ মানে তিন আর ওন্ডা মানে ঢেউ। বলে লাল, সবুজ ও নীল—এই তিন রঙের ঢেউ দিয়ে আয়োজক দেশগুলোকে বোঝানো হয়েছে।বলের নকশায় তিন দেশের জাতীয় প্রতীকও আছে। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তারকা, কানাডার জন্য ম্যাপল পাতা এবং মেক্সিকোর জন্য ইগল।

 

এবারের বলে সবচেয়ে বড় নতুনত্ব হলো অ্যাডিডাসের কানেক্টেড বল প্রযুক্তি । বলের ভেতরে থাকা ৫০০ হার্জ সেন্সর ভিএআর  ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের রিয়েল টাইম তথ্য সরবরাহ করবে। এর ফলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অফসাইড চিহ্নিত করা সম্ভব হবে। হ্যান্ডবল বা ফাউলের মতো বিতর্কিত পরিস্থিতি সহজেই চিহ্নিত করা যাবে।

এই নিয়ে টানা ১৫ বার ফিফা বিশ্বকাপের বল সরবরাহ করছে বিশ্ববিখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক এই প্রতিষ্ঠান।যেহেতু যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে ২০২৬ বিশ্বকাপ আয়োজন করছে, তাই বলটিতে এই তিন দেশের ঐক্য তুলে ধরা হয়েছে

বল প্রকাশের  অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ফুটবলের কিংবদন্তীরা, যাদের মধ্যে ছিলেন জার্মানির ইয়ুর্গেন ক্লিন্সমান, ব্রাজিলের কাফু, ইতালির আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরো, স্পেনের জাভি হার্নান্দেজ এবং ফ্রান্সের জিনেদিন জিদান।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো বলেন, আপনাদের সামনে ট্রাইওন্ডা উপস্থাপন করতে পেরে আমি খুশি ও গর্বিত। বিশ্বকাপের জন্য অ্যাডিডাস আরেকটি আইকনিক বল তৈরি করেছে, যার নকশায় কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের ঐক্য ও উচ্ছ্বাস ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। ট্রাইওন্ডা বলে ব্যবহৃত হয়েছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তি।

 

About Post Author