Home » দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ তৃণমূলের

দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ তৃণমূলের

ত্রিপুরায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় ভাঙচুর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করল তৃণমূল। প্রমাণ হিসাবে একটি ভিডিও জমা দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিধি দল যায় রাজভবনেও। ত্রিপুরার আগরতলায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায় ফুঁসছে তৃণমূল। বুধবারই সেখানে পৌঁছয় তৃণমূলের ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দল। কিন্তু, ত্রিপুরা সফরের প্রথম দিনেই কার্যত বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দলকে। আগরতলার মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দরে পৌঁছতেই শুরু হয় নাটকীয় পরিস্থিতি। পুলিশের অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে বিমানবন্দর চত্বরে বসেই ধর্ণায় বসেন কুণাল ঘোষ, সায়নী ঘোষ, বীরবাহা হাঁসদা, প্রতিমা মণ্ডল, সুস্মিতা দেব, সুদীপ রাহা—সহ ছ-জনের প্রতিনিধি দল। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে ত্রিপুরার আগরতলার কার্যালয়ে পৌঁছয় তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। এর পরেও তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে চায়নি পুলিশ প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ জানাতে ত্রিপুরায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের কাছে পৌঁছল তৃণমূলের প্রতিনিধি দল। প্রমাণ হিসাবে একটি ভিডিও জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে গিয়ে অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতার করার দাবি জানানো হয়। তৃণমূলের দাবি, গত মঙ্গলবার বিকেলের দিকে বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী-সমর্থক তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়ে। তাদের কারও হাতে ছিল বাঁশ। কেউবা সঙ্গে নিয়ে আসে রড, লাঠিসোটা। কেউ ধারালো অস্ত্র হাতে হামলা চালায়। বেশ কয়েকজন জখম হন। কয়েকজন পালিয়ে প্রাণরক্ষা করেন। এরপর বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ওই দলীয় কার্যালয়ে থাকা আসবাবপত্র, দলীয় পতাকা ছিঁড়ে দেয় বলেও অভিযোগ। ভাঙচুরেই শেষ নয়, হুমকি দেওয়া হয় বলেও দাবি তৃণমূলের।
তৃণমূলের আরও দাবি, এলাকায় অশান্তির পরিবেশও তৈরি করেছে বিজেপি। এই ঘটনায় ঝণ্টু সাহা, নকুল দেবনাথ, কানাই সাহা, রামু সাহা, প্রমচাঁদ পাল, সুমন গঙ্গোপাধ্যায়, অজয় দাস, রামু দাস ও তাদের সঙ্গীসাথীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে।

আগরতলা থানা থেকে বেরিয়ে রাজভবনে গিয়ে রাজ্যপালের সচিবের সঙ্গে দেখা করে নালিশ জানায় তৃণমূলের প্রতিনিধিদল। সেখানে দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও তাঁদের হেনস্থা করার কথাও জানিয়ে আসেন কুণালরা। কেন বারবার ত্রিপুরায় গণতন্ত্রকে অবহেলা করা হয়? কেন বিরোধীদের কণ্ঠস্বর রোধ করা হয় ত্রিপুরায়? কেন তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়? পুলিশ-প্রশাসন কেন দর্শক হয়ে যায় এইসকল ক্ষেত্রে? প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

About Post Author