Home » শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড

Oplus_131072

সময় কলকাতা ডেস্ক, ১৭ নভেম্বর : দোষী এবং মৃত্যুদণ্ডর সাজা। নির্দেশ দেওয়া হল শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডের । মানবতা বিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনা। সোমবার মুজিব কন্যাকে ফাঁসির সাজা দিল বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল। নিজের তৈরি ট্রাইবুনালেই ৩৯৭ দিন ধরে বিচার শেষে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে। একই সাজা সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও। শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড কীভাবে?

বদলের বাংলাদেশে বদলা নেওয়া হল। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনা-সহ তিন আসামির বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের। মোট পাঁচটি অভিযোগ ছিল তাঁদের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে তিনটিতে দোষী সাব্যস্ত তিনজন। ফাঁসির সাজা হাসিনা এবং আসাদুজ্জামানকে। কারাদণ্ড পেলেন মামুন। গত বছর অগস্টে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতন হয়। দেশ ছাড়েন তিনি। তার পরেই সে দেশে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠিত হয়। হাসিনার সরকারের তৈরি করা ট্রাইব্যুনালেই শুরু হয় তাঁর বিরুদ্ধে প্রথম মামলার বিচার। বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালত এবং থানায় নয় নয় করে হাসিনার বিরুদ্ধে ৫৮৬টি মামলা করা হয়েছে। মোট ৩৯৭ দিন ধরে চলেছে বিচারের বিভিন্ন প্রক্রিয়া। তার পরেই সাজা ঘোষণা হয় সোমবার। হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিল বাংলাদেশের আদালত। মোট পাঁচটি অভিযোগ রয়েছে হাসিনা-সহ তিন জনের বিরুদ্ধে। এক, প্ররোচনামূলক ভাষণ, দুই, প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ, তিন, রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা, চার, রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয় আন্দোলনকারীকে গুলি করে খুন, পাঁচ, আশুলিয়ায় ছ-জনকে পুড়িয়ে হত্যা।

উল্লেখ্য,৩৯৭ দিন ধরে বিচার হল শেখ হাসিনার। ৫ আগস্ট, ২০২৪ শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয় বাংলাদেশে। ঠিক তার পরেই আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল পুনর্গঠিত হয় বাংলাদেশে।

১৭ অক্টোবর, ২০২৪ আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনালে মামলার কার্যক্রম শুরু।শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম মামলা, মামলায় প্রথমে হাসিনাই ছিলেন অভিযুক্ত।মুজিব-কন্যার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে ট্রাইবুনাল।

১ জুন, ২০২৫ হাসিনা-সহ তিন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল ট্রাইবুনালে। ১০ জুলাই, ২০২৫ আনুষ্ঠানিক ভাবে অভিযোগ গঠন করে ট্রাইবুনাল। ১২ অক্টোবর, ২০২৫ আদালতে শুরু হয় সওয়াল। ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ রায় দিল আদালত। যদিও সোমবার ই সাবেক প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, ট্রাইবুনালে বিচার সম্পূর্ণ বেআইনি। তার অনুপস্থিতিতে শুনানি করে সাজা ঘোষণা সিদ্ধান্ত হয়েছে। এই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে আগামীতে কি হয় সময়ই তা বলবে।

 

About Post Author