দীপ সেন ও পুরন্দর চক্রবর্তী, সময় কলকাতা : হোসে মুজিকার নাম শুনেছেন? উরুগুয়ের ৪০ তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন তিনি। পেপে নামে পরিচিত ছিলেন তিনি। পরিবেশ ভাবনা জড়িয়ে ছিল বহু কাজেকর্মে, এমনকি ব্যক্তিগত জীবনে। তিনি সাইকেল চালিয়ে কর্মক্ষেত্রে যেতেন। তাঁর সরল জীবনধারা, সাধারণ মানুষের সাথে একাত্মতা ছিল চোখে পড়ার মত। সবকিছুই ছাপিয়ে ছিল তাঁর পরিবেশ সচেতনতা। চোখে পড়ুক না পড়ুক, হোসে মুজিকার ভূমিকায় বারাসাতে দেখা দিয়েছেন সুনীল মুখার্জী।
উরুগুয়ের রাষ্ট্রপ্রধান হোসে মুজিকাকে দেখা যেত সদাসর্বদা হাতে-কলমে পরিবেশ সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে। শুক্রবার বারাসাতের পুরপ্রধানকেও দেখা গেল একই ভূমিকায়। ডাকবাংলো মোড়ে সাতসকালে ঝাড়ু হাতে দেখা গেল প্রবীণ রাজনৈতিক কর্মী সুনীল মুখার্জীকে। সঙ্গে দেবব্রত পাল সহ বারাসাত পুরসভার একাধিক কাউন্সিলার। স্বচ্ছ বারাসাত গড়ার লক্ষ্যে, সামান্য নোংরা-আবর্জনা যেন রাস্তায় পড়ে না থাকে তাঁর দিকে নজর তাঁর। শুধু মৌখিক ভাষণ দিলে কিছু হবে না, নিজেদেরকেও কাজ করে দেখাতে হবে তা জানেন তিনি। তাই সুনীল মুখার্জী, দেবব্রত পালদের রাস্তায় দেখা গেল সাফাই করে বারাসাতকে স্বচ্ছ রাখার কাজে। প্রচেষ্টা অনুকরণীয় তথাপি অভূতপূর্ব। শুক্রবার সকালে বারাসাত জুড়ে চলল সাফাই অভিযান। সুনীল মুখার্জী জানিয়েছেন যে, পরিবেশ সচেতনতার একটি ধাপ শহর পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন রাখা। সুনীল মুখার্জী বারাসাত পৌরসভার দায়িত্বভার নিয়েই জানিয়েছিলেন, শহরের সৌন্দর্যায়ন ও পরিবেশ উন্নয়নের দিকে তাকাবেন তিনি। জঞ্জালমুক্ত বারাসাত চান তিনি। কথা রাখতে শুরু করেছেন তিনি। মানুষ আশাবাদী ভ্যাটের সমস্যারও পাকাপোক্ত সমাধান হবে।।
More Stories
বিরল রোগে মরণাপন্ন আফগান পেসার দিল্লির
চেন্নাইয়ানকে হারিয়ে মোহনবাগানকে টপকে ইস্টবেঙ্গল তিন নম্বরে
পুলিশের উর্দি পরে সিভিক ভলেন্টিয়ারের দাপাদাপি