দীপ সেন, পুরন্দর চক্রবর্তী,সময় কলকাতা, ৮ জানুয়ারি : হিন্দু – মুসলিম বলে ভেদাভেদ কিছুই নেই। নারী -পুরুষ ভেদ নেই। রত্না বা রমজান। বয়স ৬২ হোক বা ৩৮। নৈহাটি হোক বা বারাসাত। এসআইআর-এর লাইনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়ছেন “আতঙ্কের দিনরাত ” নিয়ে বাস করা নাগরিকরা। আকস্মিক হৃদযন্ত্রের গতি থেমে যাচ্ছে। ভোটার সম্পর্কিত প্রশ্নচিহ্নের মুখে দাঁড়িয়ে, ভারতের ভোটার হওয়ার স্বপ্ন শেষ হয়ে যাচ্ছে এসআইআরের লাইনে। মৃত্যুর মিছিল আর অভিযোগের পাহাড়।
নৈহাটির পরে এবার বারাসাতে এসআইআর লাইনে দাঁড়িয়ে প্রাণ হারালেন আরেকটি মানুষ। এবার তাঁকে আর নির্বাচন কমিশনের প্রশ্নর সামনে পড়তে হবে না যা নিয়ে নৈহাটির সাংসদ পার্থ ভৌমিকের পরে সরব হলেন খাদ্যমন্ত্রী রথীন ঘোষ। তিনি বললেন, এভাবেই তো শেষ হয়ে গেলেন রাজ্যের ৫০ জনের বেশি মানুষ। উল্লেখ্য, একদিন আগেই নৈহাটিতে এসআইআর শুনানিতে এসে মৃত্যু হয়েছিল রত্না চক্রবর্তীর। এবার বারাসাত দু নম্বর বিডিও অফিসে এসআইআর শুনানির জন্য এসে মৃত্যু হল মধ্যমগ্রামের রোহান্ডার রমজান আলির। তৃণমূলের নেতা ও মন্ত্রী রথীন ঘোষ দুষছেন এসআইআর-এর অপরিকল্পিত ব্যবস্থাকে। তরুণ রমজানের বাড়ির লোক দুষবেন কাকে?


More Stories
ভারতের জিততে চাই ২২৬ রান
গাড়ি রহস্য, যত কাণ্ড দত্তপুকুরে
পুর-প্রশাসককে ঘিরে বিক্ষোভ বারাসাতে, পালিয়ে পরিত্রাণ খুঁজলেন পুর-প্রশাসক