সানি রায়, সময় কলকাতা, ২৭ নভেম্বর : ডুয়ার্স এলাকায় হাতির আনাগোনা বিরল নয়। জনপদে প্রায়ই দলবেঁধে ঢুকে পড়ে হাতি। তবে গলায় রেডিও কলার বাঁধা দলছুট হাতি জনপদে আসার ঘটনা বিরল। এবার রেডিও কলার বাঁধা হাতি আর তার দাপাদাপি দেখা গেল নাগরাকাটায়।
বৃহস্পতিবার ভোরে নাগরাকাটা ব্লকের লুকসান ভুট্টাবাড়ি বস্তি এলাকায় হঠাৎই এক দলছুট দাঁতাল হাতি ঢুকে পড়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়। হাতিটির গলায় একটি রেডিও কলার থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে আরও চাঞ্চল্য ছড়ায়।এবার আতঙ্ক বাড়ার কারণ কী?
উল্লেখ্য, হাতির গলায় রেডিও কলার বেঁধে দেওয়া একটি আধুনিক প্রযুক্তি। এর মূল উদ্দেশ্য হলো মানুষ-হাতি সংঘাত কমানো, লোকালয়ে হাতির প্রবেশ রোধ করা, এবং বন্যপ্রাণীর সুরক্ষাও নিশ্চিত করা। এই কলারের মাধ্যমে হাতি কোন দিকে যাচ্ছে তা জেনে বনকর্মীরা সময়মতো ব্যবস্থা নিতে পারেন, যাতে হাতি ও মানুষ উভয়ই সুরক্ষিত থাকে। অন্য হাতি প্রধান এলাকার মত জলপাইগুড়িতেও বন দফতর থেকে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর এবার আতঙ্ক বাড়ে কারণ রেডিও কলার বাঁধা অবস্থাতে ও হাতির গতিবিধি এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত না হওয়ায়। রেডিও কলার বাঁধা গজরাজের দাপাদাপি স্থানীয়দের মনে ভীতির সঞ্চার করে।
সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার ভোর প্রায় ৪টা ১৫ মিনিট নাগাদ ভুট্টাবাড়ি বস্তির বাসিন্দা গণেশ ছেত্রীর বাড়ির সামনে সেই দাঁতালটি ঘোরাফেরা করছিল। হাতির শব্দে পরিবারের সকলের ঘুম ভেঙে যায়। গণেশের স্ত্রী যখন বাড়ির দরজা খোলেন, তখন দেখেন বিশালাকৃতি রেডিও কলার পরা গজরাজ তাঁদের বাড়ির সামনে এদিক-ওদিক হাঁটছে। এরপর তিনি বিষয়টি প্রতিবেশী ও স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য নারায়ণ ছেত্রীকে জানান। পরে তাঁরা তৎক্ষণাৎ বন দফতরে ফোন করে পুরো ঘটনার কথা জানান। হাতির গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হয়েছে বলেই বন দফতর সূত্রে জানানো হয়েছে।
আরও পড়ুনজলপাইগুড়িতে এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যুর অভিযোগ
#নাগরাকাটা


More Stories
বউ বদল : ময়নাগুড়িতে স্বামী-স্ত্রীর বদলাবদলি নাকি বদলা ?
চলে গেলেন সারিন্দার পাখি মঙ্গলাকান্ত
দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে গিয়ে বিপদ,সৌগত রায়কে লক্ষ্য করে উড়ে এল পচা ডিম