সময় কলকাতা ডেস্ক, ১ ডিসেম্বর :আশ্রয় ডিটেনসন ক্যাম্প : আধারকার্ড -ভোটার কার্ড দেখিয়েও লাভ হল না বঙ্গের পাঁচ শ্রমিকের। বাংলাদেশী সন্দেহে পাকড়াও করা হয় তাঁদের। ওড়িশার আগরপাড়ার ঘটনা। পাঁচ শ্রমিককেই পাঠানো হয়েছে ভদ্রকের ডিটেনশন ক্যাম্পে। দুশ্চিন্তায় বীরভূমের পাঁচ শ্রমিকের পরিবার।
আরও পড়ুনএসআইআর যেন ঈশ্বরের সংকেত, হারানো মেয়ে খুঁজে পেলেন বৃদ্ধা
তাঁরা পাঁচজন শ্রমিক, তাঁরা মেহনতি মানুষ। আধার কার্ড, ভোটার কার্ড দেখিয়েছিলাম তাঁরা। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় তাঁদের নাম ছিল। তারা ভিন রাজ্যে কাজ করা বঙ্গের মানুষ। তাঁদের নাম আবদুল আলিম শেখ, আতাউর রহমান, সেলিম শেখ, মণিরুল ইসলাম, নুর আলম। বীরভূমের নলহাটির বাসিন্দা। কাজের সুবাদে দু দশকের বেশি সময় ধরে রয়েছেন ওড়িশার আগরপাড়ায়। রবিবার তাদের হঠাৎ ডাক পরে থানায়। তাঁদের বলা হয় যে তাঁরা বাংলাদেশী। তাঁদের প্রমাণ করতে বলা হয় যে তাঁরা ভারতীয়। এরপরেই তাদের আটক করা হয় এবং সোজা পাঠিয়ে দেওয়া হয় ডিটেনশন ক্যাম্পে। জানা গিয়েছে আগরপাড়া থানা থেকে তাদের ভদ্রকের কাছাকাছি অবস্থিত নতুন বাসস্ট্যান্ডের কাছে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছে। খবর এসেছে পরিবারের কাছে। চোখের ঘুম উবে গিয়েছে পরিবারের মানুষের, আত্মীয় পরিজনের। গ্রামে এনুমারেসন ফর্ম দেওয়া হয়েছে। বিএলওদের কাছে সেই ফর্ম জমা দিয়েছে ভিনরাজ্যে কাজ করা শ্রমিকদের পরিবার। ধৃতদের পরিবারের বক্তব্য, পাঁচজনই ভোটার কার্ড ও আধার কার্ড দেখিয়েছিলেন। তবুও তাঁদের বাংলাদেশী বলেই চিহ্নিত করা হয়। পরিবারের প্রশ্ন ভোটার কার্ড, আধার কার্ড কি ভারতীয় হিসেবে যথেষ্ট প্রমাণপত্র নয়? এখন কী হবে আর কী করে ছাড়া পাবে আলিম -আতাউররা সেই দুশ্চিন্তা গ্রাস করেছে তাদের পরিবারকে।।
আশ্রয় ডিটেনসন ক্যাম্প #আশ্রয় ডিটেনসন ক্যাম্প


More Stories
ভোটের আগে এসআইআর নিয়ে ঐতিহাসিক সুপ্রিম রায়
ডিটেনশন ক্যাম্পে না যেতে চেয়ে ৬ জনের স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন
নতুন তালিকা প্রকাশিত,কত লক্ষ বিবেচনাধীন ভোটারের বিচার করে ফেলেছে নির্বাচন কমিশন?