Home » পুরসভার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ বারাসাতে

পুরসভার দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ বারাসাতে

Oplus_131072

দীপ সেন, সময় কলকাতা , ১১ জুন :  ওয়ার্ড কমিটির ঘরে পচছে ত্রিপল ত্রাণ অথচ সরকারি ত্রাণ এলাকার দূর্গতদের না দেওয়ার অভিযোগ। অভিযোগ, বাস্তবে যাদের সাহায্যের প্রয়োজন তারাই ত্রিপল বা কম্বল পাননা অথচ ওয়ার্ড কমিটির ঘরে মজুদ প্রয়োজনীয় সামগ্রী।প্রকারান্তরে দুর্নীতির অভিযোগ  কাউন্সিলর ও তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে, ক্ষোভে ফুসছে এলাকা । অথচ আশ্চর্য বিষয় হল যে এলাকায় এই অফিসটি সেই এলাকার বর্তমান কাউন্সিলর বলছেন, ২০২২ সালে তিনি কাউন্সিলর হওয়ার পর থেকে এই ওয়ার্ড অফিস তিনি একটিবারের জন্য ব্যবহার করেননি। তাঁর আরও দাবি, তাঁর আলাদা ওয়ার্ড অফিস রয়েছে। ফলে বর্তমান কাউন্সিলরের বিবৃতির পরে এখন বল বারাসাত পুরসভার কোর্টে।

অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে বারাসাত পুরসভার ২৬ নম্বর ওয়ার্ড। পুরসভা লাগোয়া এলাকায় হতদরিদ্র পরিবারগুলি যখন ঝড় বৃষ্টিতে নাজেহাল, তাদের সরকারি সাহায্য দেওয়া হয়না তখন ওয়ার্ড কমিটির ঘরে পড়ে আছে নতুন ত্রিপল আর কম্বল।ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উত্তেজনা বারাসাত পুরসভায়। দেখে মেলে নি পুরপিতা অভিজিৎ নাগ চৌধুরীর । একা কুম্ভ হয়ে বিক্ষুব্ধদের শান্ত করতে চেষ্টা করলেন বর্ষীয়ান চেয়ারম্যান সুনীল মুখার্জী। অভিজিৎ নাগ চৌধুরী অবশ্য জানিয়েছেন, তিনি যেটুকু জানেন সেই তথ্য অনুযায়ী অফিসটি  পুরসভার গোডাউন হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে এসেছে । তিনি এও জানান যে,বিগত কোনও কাউন্সিলর এই অফিস থেকে ওয়ার্ড অফিস হিসাবে ব্যবহার করে থাকতে পারেন , তবে ২০২২ সালে তিনি কাউন্সিলর হওয়ার পরে একটি দিনের জন্য এই অফিসটিকে ব্যবহার করেন নি এবং বর্তমানে এটিকে ওয়ার্ড অফিস বলা অনুচিত। তাঁর ওয়ার্ড অফিস অন্যত্র, দাবি কাউন্সিলরের।

Oplus_131072

এদিন, ওয়ার্ড কমিটি ঘরের ভেতর প্রচুর পরিমাণে ত্রিপল কম্বল চাল সামগ্রী পাওয়া যায়। উত্তেজিত জনতাদের শান্ত করতে চেয়ারম্যান সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের  তৃণমূলের পুরপিতা অভিজিৎ নাগ চৌধুরীকে ডেকেও সাড়া পাননি। বাধ্য হয়ে চেয়ারম্যানকে যেতে হয় ঘটনাস্থলে। পরিস্থিতি দেখে হতভম্ব খোদ চেয়ারম্যান। উল্লেখ্য, বারাসাতের ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে তফশিলি জাতি ও উপজাতির বহু মানুষের বাস । আর্থিকভাবে সঙ্গতিহীন মানুষ এখানে প্রচুর রয়েছে, সেখানে সরকারি ত্রাণ পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ থাকলেও তা ব্যবহার না করার অভিযোগ উঠেছে যদিও বর্তমান কাউন্সিলর এই বিষয়ের দায় ঝেড়ে ফেলেছেন। বর্তমান কাউন্সিলর বলেছেন,  ১২ বছর আগে কে এই অফিস ব্যবহার করত তার দায় আমার হতে পারে না। ।।

About Post Author