সময় কলকাতা ডেস্ক : নিজে ছিলেন তৃণমূলের কাউন্সিলার।২০১৫ পুরভোটে বারাসাত পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের টিকিটে লড়েছিলেন সজল ভট্টাচার্য। তিন্তু এবারের নির্বাচনে দল তাঁকে টিকিট দেয়নি। পুরভোটে টিকিট না পেয়ে স্ত্রীকে নির্দল প্রার্থী করেন সজলবাবু। হাজার প্রতিকূলতার মাঝেও ওয়ার্ডের মানুষ যে তাঁর সঙ্গে রয়েছে তৃণমূলের এই ভরা বাজারে স্ত্রীকে জিতিয়ে এনে তা আরও একবার প্রমান করে দিয়েছেন বিদায়ী কাউন্সিলার।তাই পুরসভা ভোটের ফল প্রকাশের পর দলের কর্মীদের নিয়ে বর্ণাঢ্য মিছিল করে বিজয় উল্লাশে মাতলেন।

পুরসভা নির্বাচনের বারাসাতের ৩৫টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৩০টিতে জয়লাভ করে তৃণমূল বাকি ২টি ওয়ার্ডে নির্দল প্রার্থী জয়ী হয়। বাকি ৩ ওয়ার্ডে জয়ী হয় বামেরা। ২৮ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জয়ী হন চৈতালী ভট্টাচার্য।এদিন নিজের ওয়ার্ডে ধামসা মাদল ও আদিবাসী নাচের দলকে নিয়ে পুরো ওয়ার্ড পরিক্রমা করেন। চৈতালীদেবী বলেন, যে ভরসা নিয়ে মানুষ তাঁকে ভোট দিয়েছে সেই আস্থাকে বাস্তবায়িত করাই তাঁর প্রধান কাজ হবে।

চৈতালী ভট্টাচার্যের জয়ের নেপথ্যে থাকা সজল ভট্টাচার্য আগামীদিনে বারাসাতের রাজনীতিতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন সেকথা সময়ই বলবে কিন্তু সজল ভট্টাচার্যের রাজনৈতিক গ্রাফের দিকে যে চোখ থাকবে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলের সেকথা বলাইবাহুল্য ।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
কেন ফুল বদলালেন লিয়েন্ডার পেজ?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?