Home » আইনের শাসন অবলুপ্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মহামিছিলের ডাক বিজেপি-র

আইনের শাসন অবলুপ্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদে মহামিছিলের ডাক বিজেপি-র

সময় কলকাতা ডেস্ক: রামপুরহাট গণহত্যা, আইনের শাসন অবলুপ্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আগামী সোমবার মহামিছিলের ডাক দিল বঙ্গ বিজেপি। ওই দিন বেলা দু’টোয় অনুষ্ঠিত হবে মিছিল। এদিকে আজ থেকেই রামপুরহাটে শুরু হয়েছে বিজেপির অনির্দিষ্টকালের ধরনা। বিজেপির এই কর্মসূচির সূচনা করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

অপরদিকে ইতিমধ্যেই ২৮ এবং ২৯ মার্চ দেশ জুড়ে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাম কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন এবং গণসংগঠনগুলি। বামেদের ডাকা ধর্মঘটের দিনেই বিজেপির মহামিছিল প্রসঙ্গে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “দিদি-মোদী সেটিং এর তত্ব মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে। বামেদের ডাকা ধর্মঘটের থেকে রামপুরহাট কাণ্ডের গুরুত্ব অনেক বেশি। যদি ওরা ধর্মঘট সফল করতে পারে, তাহলে তো এমনিতেই বিজেপির মিছিলে লোক হবে না। তাহলে এত ভাবনা কেন?”

রামপুরহাট কান্ডে সবটাই পরিকল্পিত বলে জানান শমীক। তিনি আরও জানান, “ভাদুর দিকে তদন্তের মোড় ঘুরিয়ে আগুন লাগানোর অপরাধীদের সেফ প্যাসেজ দেওয়া হয়েছে। পুলিস দমকলের দেওয়া তথ্য অগ্রাহ্য করেছে। গোটাটাই পরিকল্পিত। কে কবে কাকে সিংঘম বলেছিল জানিনা। কিন্তু এখন এস পি কে এই ঘটনায় সন্দেহের বাতাবরণ থেকে বাদ দেওয়া যায়না। বরাবর সিবিআই নিয়ে বিরোধিতার লাইন পালটেছে তৃণমূল । এবার সহযোগিতা করছে।”

এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে শমীক ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর মুড়ি মুড়কির মতো অস্ত্র উদ্ধার করছে পুলিশ। তাহলে এতদিন পুলিস কি করছিল?”

 

তিনি আরো বলেন, “ডেড বডি পলিটিকস বিজেপি করেনি। তাপসী মালিককে নিয়ে এটা ওরাই শুরু করেছিল। তাই ওদের মুখে এ কথা মানায় না।”

গত চারদিনে পরপর তিনবার জ্বালানীর দাম বেড়েছে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি প্রসঙ্গে তার বক্তব্য, “জ্বালানীর দাম বেড়েছে পরিস্থিতির চাপে। যুদ্ধ চলছে। উপায় কি? কেন্দ্র রাজ্য দুইয়েরই আর্থিক বাধ্যবাধকতা এসেছে। তাও দেশের আস্থা মোদীতে।”

আনিসের গ্রামে ফিরহাদ হাকিম, পুলক রায়কে ঢুকতে না দেওয়ার প্রসঙ্গে এদিন তিনি বলেন, ‘আনিসের পরিবারের রাজ্যের ওপর আস্থা নেই। তাই মন্ত্রীদের ঢুকতে দেওয়া হয়নি। ববি বলেছেন, আমি সিংহ। যারা ঢুকতে বাধা দিয়েছেন, তারা কুকুরের মতো চিৎকার করেছে। উনি ওনার দলের উপযুক্ত ভাষা ব্যাবহার করেছেন। কিছুদিন আগেই আমতায় সংখ্যালঘুরা উজাড় করে ওদের ভোট দিয়েছে। আর কাল ঢুকতে দেয়নি। এটা তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে অশনি সংকেত ।’

About Post Author