Home » হাঁসখালির ঘটনায় পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত

হাঁসখালির ঘটনায় পুলিশের জালে মূল অভিযুক্ত

সময় কলকাতা ডেস্কঃ হাঁসখালি ধর্ষণের ঘটনার নয়া মোড়!এলাকাবাসীর বিক্ষোভের চাপে পড়ে হাঁসখালি ধর্ষণের ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রবিবার মূল অভিযুক্তকে গ্রপ্তার করে পুলিশ। সোমবার অভিযুক্ত যুবককে রানাঘাট মহাকুমা আদালতে তোলা হয়।আদালতে তোলার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে মূল অভিযুক্ত সোহেল গোয়ালীর দাবি, আমি কিছু জানিনা।

প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মূল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে খুন এবং প্রমাণ লোপাট সহ একাধিক  ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।পাশাপাশি হাঁসখালি ধর্ষণের ঘটনায় ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক তরজা।ফলে অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সোমবার বিজেপির তরফে ১২ ঘণ্টার বন্‌ধের ডাক দেওয়া হয়।সকাল থেকেই আলাদা  ছবি হাঁসখালি জুড়ে।দোকানপাট সব বন্ধ।বিজেপি কর্মীরা বন্‌ধের সমর্থনে পতাকা হাতে নিয়ে রাস্তায় নেমেছে।হাতেগোনা কয়েকটি দোকান খুললেও বিজেপি কর্মীরা পথে নেমে সেগুলি বন্ধ করার অনুরোধ জানান।

প্রসঙ্গত,গত ৫ এপ্রিল নদীয়ার হাঁসখালিতে প্রভাবশালী এক তৃণমূল নেতার বাড়িতে তার ছেলের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে মদ্যপানের আসর বসে। ওই জন্মদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিল নাবালিকাও। সেদিনই  নাবালিকাকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।ধর্ষণ করার পর রক্তাক্ত অবস্থায় ওই নাবালিকাকে ফেলে রাখা হয় রাস্তায়।গোপনাঙ্গের তীব্র যন্ত্রণা এবং রক্তক্ষরণের ফলে রাতেই মৃত্যু হয় ওই নাবালিকার।এরপর প্রমাণ লোপাটের জন্য তড়িঘড়ি নাবালিকাকে বাড়ির পাশে স্থানীয় শ্মশানে পুড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে স্থানীয় তৃণমূল নেতার ছেলের বিরুদ্ধে।নদীয়ার হাঁসখালি থানার শ্যামনগর পূর্ব পাড়ার  ঘটনা জানাজানি হতেই চাইল্ড লাইনে খবর যায়।চাইল্ড লাইনের তৎপরতায় হাঁসখালী থানায় তৃণমূল নেতা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়।

যদিও ঘটনার পর থেকে তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্য সমীর গোয়ালী ও তার ছেলে অভিযুক্ত সোহেল গোয়ালী পলাতক ছিল।এরপর এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে হাঁসখালি থানার পুলিশ।অবশেষে রবিবার মূল অভিযুক্ত সহেল গোয়ালীকে হাঁসখালি থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে রানাঘাট মহকুমা আদালতে তোলে।

About Post Author