Home » হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, ভাইরাল অডিও, চাঞ্চল্য

হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডের তদন্তে সিবিআই, ভাইরাল অডিও, চাঞ্চল্য

সময় কলকাতা ডেস্কঃ হাঁসখালিতে নাবালিকা গণধর্ষণের ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চের প্রধান বিচারপতি। সেই মোতাবেক বুধবার মধ্যরাতে হাঁসখালি থানায় পৌঁছায় সিবিআইয়ের চার সদস্যের বিশেষ প্রতিনিধি দল। এফআইআর কপি নিজেদের কাছে নেওয়ার পাশাপাশি যে সমস্ত প্রাথমিক কাজ রয়েছে তা নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথাও বলেন তাঁরা। প্রায় ৪ ঘণ্টা পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআইয়ের প্রতিনিধি দল। এমনকি আগামী ২রা মের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার নির্যাতিতার বাডি়তেও যায় ওই প্রতিনিধি দল। জোর কদমে বৃহস্পতিবার থেকে চলবে সিবিআই তদন্ত।

প্রসঙ্গত, জন্মদিনের পার্টিতে ডেকে ১৪ বছরের এক নাবালিকাকে গণধর্ষণ করার ঘটনা ঘটে নদিয়ার হাঁসখালিতে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে সেই রাতেই ওই নাবালিকার মৃত্যু হয়। পরিবারের দাবি, প্রাণে মারার হুমকি দেখিয়ে তড়িঘড়ি শ্মশানে দাহ করে দেওয়া হয় ওই নাবালিকার মৃতদেহ। ঘটনার ৫ দিন পর হাঁসখালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নাবালিকার পরিবার।

ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অডিও ভাইরাল হয়েছে। ভাইরাল হওয়া অডিওর সত্যতা যাচাই করেনি সময় কলকাতা। ভাইরাল হওয়া অডিওটিতে দীপঙ্কর ওই নাবালিকাকে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে বলে বলা হয়েছে। পাশাপাশি তার সঙ্গে আরও দু তিন জন ছিল বলে দাবি করা হয়েছে। একই সঙ্গে বলা হয়েছে কোন দোষ না করেও পুরোটা বোধো দার ঘাড়ে পড়ছে। এখন প্রশ্ন উঠছে কে এই বোধদা। সে যদি পুরো ঘটনার কথা জেনে থাকে তাহলে পুলিশ তাকে সঠিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি কেন?


কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা তদন্ত ভার হাতে নেওয়ার পর এই ধর্ষণ মামলায় গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ আনে নির্যাতিতার পরিবার। বুধবার বিকালে মৃতার বাবা অভিযোগ করেন, তাঁর বুকে বন্দুক ঠেকিয়ে মেয়ের মৃতদেহ তুলে নিয়ে গিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। মৃতার জেঠতুতো দাদার অভিযোগ, হুমকি চলতে থাকায় ভয়ে দেহটি মাদুরে জড়িয়ে শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে এত দিন কেন তাঁরা এই তথ্য সামনে আনেননি? কিশোরীর জেঠতুতো দাদা বলেন, “এত দিন খুব ভয়ে ছিলাম আমরা। সিবিআই তদন্ত করবে জেনে এখন সাহস পাচ্ছি।”

About Post Author