সময় কলকাতা ডেস্ক: হাঁসখালি ধর্ষণ কাণ্ডের পর প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সোচ্চার গোটা রাজ্য। ইতিমধ্যেই কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে এই ঘটনার তদন্ত নেমেছে সিবিআই।
নদীয়ার হাঁসখালি গণধর্ষণকাণ্ডে তদন্তের স্বার্থে অস্থায়ী ক্যাম্পে আগেই নিয়ে আসা হয়েছিল নির্যাতিতার মাকে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুততার সাথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য অস্থায়ী ক্যাম্পে নিয়ে আসা হল নির্যাতিতার জ্যাঠতুত দাদা এবং বাবাকে। পাশাপাশি এদিন ঘটনায় অভিযুক্ত প্রভাকর পোদ্দার এবং সহেল গোয়ালীকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নিয়ে আসা হল সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে।
উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল রাতে অষ্টম শ্রেণির ওই নাবালিকা ছাত্রী তার প্রেমিক সোহেল গায়ালীর জন্মদিনের পার্টিতে যায়। তারপর রাতে অসুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে। রক্তপাত, পেটে ব্যথায় অসাড় হয়ে পড়ে ওই নাবালিকা। ভোররাতে নাবালিকার মৃত্যু হয়। প্রসঙ্গত, কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ও নজরদারিতে হাঁসখালি সহ আরও তিনটি ধর্ষণ কাণ্ডের দায়িত্বে আনা হয়েছে কলকাতার পুলিশের স্পেশাল কমিশনার আইপিএস দময়ন্তী সেনকে। এখন কত দ্রুত বিচার মেলে সেই অপেক্ষায় রয়েছে নির্যাতিতার পরিবার।


More Stories
ডিমথেরাপি অশোকনগরের গ্রেফতার চেয়ারম্যান প্রবোধ সরকারকে
“কংগ্রেসের হাত-ছাড়া ভুল ছিল”, বিস্ফোরক অনুব্রত দুষছেন আইপ্যাককে
সিআইডি অবিলম্বে অভিষেককে গ্রেফতার করতে চায়, অন্তরায় হাইকোর্টের নির্দেশ