সময় কলকাতা ডেস্ক :
ঈদের অর্থ বলতে সার্বিক ভাবে আনন্দ বা উৎসব। ‘ঈদ’ আরবি শব্দটির অভিধানিক অর্থ একের পর এক যা বারবার ফিরে আসে।ঈদের জন্মলগ্ন নিয়ে আলোচনা এদিনের সময় কলকাতার প্রতিবেদনের বিষয়।
আমরা যেকোনো ধর্মাবলম্বী হই না কেন- ঈদের সূচনার ইতিহাস বড্ড কম জানা যায়। মুসলিম ছাড়াও ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের কেউ কেউ ঈদ-উল আযহার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট হয়তো জানেন। কিন্তু খুব বেশি মানুষ খুশি আর উৎসবের ঈদ-উল ফিতরের গোড়ার কথা জানেন না।কবে শুরু হল ঈদ?

ঈদ-উল-ফিতরের ইতিহাস জানতে আমাদের পিছিয়ে যেতে হবে প্রায় ১৪০০ বছর। ইসলাম-ইতিহাস বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে প্রথম ৬২৩ খ্রিস্টাব্দে ঈদ উদযাপন করা হয়।নবী মুহাম্মদ যখন মক্কা থেকে ৬২২ খ্রিস্টাব্দে হিজরত করে মদিনায় যান, তখন সময়কে ভিত্তি ধরে হিজরী সাল গণনা করা হয়। যদিও খাতায় কলমে হিজরী সাল গণনা শুরু করা হয়েছিল ৬৩৯ খ্রিস্টাব্দে।মোটামুটি যা জানা যায় হিজরী প্রথম বছরের অষ্টম মাস অর্থাৎ শাবান মাসে রোজা বাধ্যতামূলক করা হয়, এবং তখন নবম মাস অর্থাৎ রমজান মামে একমাস সিয়াম সাধনাকে ফরজ করা হয় অর্থাৎ তখন থেকেই ঈদের প্রচলন হয়। পরের বছর বিধান দেওয়া হয় যে রমজান মাস শেষ হতেই (চাঁদের হিসাবে যা ২৯ দিনে বা ৩০ দিনেও শেষ হয় ) তারপরে শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদ উদযাপন করা হবে।
ঈদের সূচনালগ্নের আগে অবশ্য মদিনায় নওরোজ ও মিহিরজান নামে দুটি উৎসব ধর্ম ও গোত্র মেনে পালিত হত। ঈদের ১৪০০ বছরের পুরোনো ইতিহাস থাকলেও বঙ্গে লোকায়ত ধর্মের মিল ছিল।ইতিহাসবিদদের মতে, ঈদের উৎসব বঙ্গে মোগলদের হাত ধরেই ছড়িয়ে পড়ে।।


More Stories
দেবীপ্রতিমা তৈরীর মাটি সংকট কাটল মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে
হর্ষ-বিষাদে পালিত ঈদ-উল-আযহা
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস