সময় কলকাতা ডেস্কঃনানা ভাষা নানা মত নানা পরিধান বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান। হ্যাঁ এমনটাই যেন ভারতবর্ষের সংস্কৃতি,ভারতের ঐতিহ্য।যেখানে সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করেন।প্রত্যেকে একে অপরের উৎসবে জমায়েত হয়ে আনন্দ ভাগ করে নেন সবার সঙ্গে।সোমবার রমজান মাসের শেষ দিন।একদিন পরেই অর্থাৎ মঙ্গলবার খুশির ঈদ।আর রমজানের শেষ দিনেই বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেল ইফতার পার্টির আয়োজন।সকলে মিলিত হয়ে যেখানে রমজানের উপবাস ভাঙলো।আর এই ইফতার উপলক্ষে সম্প্রীতির নজির গড়ে তুলল মালদা জেলার হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশ আধিকারিকরা।
জানা গিয়েছে,মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুর থানা চত্বরে একটি কালী মন্দির রয়েছে।মঙ্গলবার সেই মন্দিরের সামনেই হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশের পক্ষ থেকে ইফতার পার্টির আয়োজন করা হয়েছিল।যদিও এইবার প্রথম নয়,হরিশ্চন্দ্রপুর থানা পুলিশ আধিকারিকরা রোজা উপলক্ষ্যে প্রত্যেক বছরই ইফতার পার্টির আয়োজন করে থাকেন।সেই ইফতারে দেখা যায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষ,পুলিশের বিভিন্ন বিভাগের কর্মী এবং সিভিল ভলেন্টিয়ারদেরও।এদিনের এই ইফতারে উপস্থিত ছিলেন হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস, এলাকার বিধায়ক তাজমুল হোসেন,ব্যবসায়ী পবন কেডিয়া,তিলকি গুপ্তা সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা।পাশাপাশি এই ইফতারে উপস্থিত ছিলেন এলাকার সর্বস্তরের মানুষও।সকলে মিলে এদিন একসাথে খাবার খেয়ে ভাঙলেন রোজার উপবাস।হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশের এই অভিনব উদ্যোগকে কুর্নিশ জানিয়েছেন এলাকার বিধায়ক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিধায়ক তাজমুল হোসেন জানান,‘প্রত্যেক বছরই হরিশচন্দ্রপুর থানার পুলিশের পক্ষ থেকে এই ইফতারের আয়োজন করা হয়।আমাদের এলাকায় ধর্ম বর্ণ কোন ভেদাভেদ নেই।হিন্দু-মুসলিম সকলেই এক সাথে চলে।এদিনের ইফতারেও তাই গড়ে উঠলো সম্প্রীতির নজির।আমি থানার আইসিকে ঈদের শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি ধন্যবাদ জানাই।’
অন্যদিকে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি সঞ্জয় কুমার দাস জানান,‘আজ ইফতারের আয়োজন করা হয়েছিল।এলাকার বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।আমরা সম্প্রীতির বার্তা দিচ্ছি।আগামীতেও এই উদ্যোগ জারি থাকবে।


More Stories
বাংলা নববর্ষের ইতিহাস
চিকিৎসকের বঙ্গসংস্কৃতির উদযাপন নববর্ষে
ময়নাগুড়িতে গাড়ি দুর্ঘটনায় নিহত ২ তরুণী , আহত ৫