Home » কন্যাশ্রী ভাতা পেতে বিবাহিতার হামলা

কন্যাশ্রী ভাতা পেতে বিবাহিতার হামলা

সময় কলকাতা ডেস্ক : সরকারি কন্যাশ্রী প্রকল্পের আওতাভুক্ত হওয়ার তোড়জোড় করেছিলেন এক বিবাহিতা মহিলা।আর্থিক সহায়তা পেতে শংসাপত্রে ‘অ’ শব্দযোগে  ‘অবিবাহিতা’ হওয়ার নীলনকশা করেছিলেন বিবাহিতা সুমনা রায়। পঞ্চায়েত সদস্যার কাছে এলাকাবাসী হিসেবে শংসাপত্র জোগাড় করে শব্দে বিকৃতি ঘটান অভিযুক্ত মহিলা। পঞ্চায়েত সদস্যা সত্য প্রকাশ করে দেন।কন্যাশ্রী ভাতা পেতে অন্তরায় হয়ে ওঠায় বিবাহিতা মহিলা ক্রুদ্ধ হয়ে ভাঙচুর চালালেন জনপ্রতিনিধির বাড়িতে। উত্তর চব্বিশ পরগনার গাইঘাটা থানা এলাকার ঘটনা।

গাইঘাটা থানা এলাকার ডুমা গ্রাম পঞ্চায়েতের  তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যা শ্যামলী বালা পাইকের কাছে মঙ্গলবার স্থানীয় গৌরাঙ্গ দাস ও তার স্ত্রী সুমনা রায় কন্যাশ্রীর ফর্ম জমা দেবার জন্যে রেসিডেন্সিয়াল সার্টিফিকেট নিতে আসে । শংসাপত্রে সুমনা রায়কে ‘বিবাহিতা’ উল্লেখ করেন জনপ্রতিনিধি শ্যামলীবালা পাইক । পঞ্চায়েত সদস্যা জানিয়েছেন,সুমনা রায় অবিবাহিতা লিখবার জন্য আবেদন করেছিল পঞ্চায়েত সদস্যার কাছে, কিন্তু তিনি অবিবাহিতা লিখতে অস্বীকার করেন।

কন্যাশ্রী ভাতা পাওয়ার লক্ষ্যে নিজের কার্যসিদ্ধি করতে পঞ্চায়েত সদস্যার দেওয়া শংসাপত্রে বিবাহিতার আগে ‘অ’ লিখে পঞ্চায়েত থেকে বিকৃত শংসাপত্র  স্কুলে জমা দেয় সুমনা রায় । স্কুল থেকে পঞ্চায়েত সদস্যার কাছে ফোন এলে পঞ্চায়েত সদস্যা স্কুল কে জানান যে তিনি বিবাহিত লিখে পাঠিয়েছিলো অবিবাহিত লেখেনি । ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়।অতঃপর  সুমনা রায়ের পরিবার থেকে পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী কে ফোনে হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ । মধ্যরাতে পঞ্চায়েত সদস্যার বাড়ির দরজা ভাঙচুর করা হয় । ঘটনার জেরে পঞ্চায়েত সদস্যা শ্যামলী বালা পাইক আতঙ্কে আছেন বলেও তিনি জানান । শংসাপত্র বিকৃত করার ও জনপ্রতিনিধির ওপরে হামলার অভিযোগে গৌরাঙ্গ দাসকে আটক করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গাইঘাটা থানার পুলিশ ।।

About Post Author