সময় কলকাতা ডেস্কঃ দুয়ারে সরকার আদতে সরকারি প্রকল্প আর তাই এই কর্মসূচি প্রচারের দায়িত্ব জনপ্রতিনিধির। বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধি নির্বাহ করবেন সরকারি প্রকল্পের কাজ। তাই সরকারি প্রকল্পের কাজে বাধা নিজে তো দেবেন না,প্রশাসনিক কর্মী হিসেবে তিনি সরকারি প্রকল্পে বাধা তিনি হতে দেবেন না। দুয়ারে সরকার প্রসঙ্গে বারাসাত পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের নির্দল প্রতিনিধির স্বামী সজল ভট্টাচার্য এক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ প্রসঙ্গ সামনে এনে দিলেন। বুধবার বারাসাতে ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের প্রচারে নির্দল কাউন্সিলার ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘাত বাঁধে। তৃণমূলের অভিযোগ, দুয়ারে সরকারের প্রচার করতে গিয়ে তাঁরা আক্রান্ত হন। অন্যদিকে নির্দল কাউন্সিলার চৈতালি ভট্টাচার্যের স্বামী সজল ভট্টাচার্য এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে পরিষ্কার বুঝিয়ে দিলেন দুয়ারে সরকার প্রকল্প তৃণমূলের দলীয় কর্মসূচী নয়, এটি একটি সরকারি প্রকল্প যা প্রতিটি ওয়ার্ডে সফল ভাবে রূপায়ণ করার দায়িত্ব কাউন্সিলারের।
রাজ্যের মানুষের কথা মাথায় রেখে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দুয়ারে সরকার চালু করেছেন। যাতে সাধারণ মানুষের সুযোগ সুবিধা পেতে কোন অসুবিধা না হয়। বাড়িতে অথবা বাড়ির সামনেই পেয়ে যাচ্ছেন সমস্ত সরকারি প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই দুয়ারে সরকার প্রকল্পের ফলে উপকৃত হচ্ছেন বহু মানুষ। কিন্তু দুয়ারে সরকার কর্মসূচির ক্যাম্প কারা করবে এই নিয়েই দ্বন্দ্ব বারাসাতে। অভিযোগ, বারাসাতের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল কংগ্রেস প্রচার করতে গেলে বাধা দেয় নির্দল কাউন্সিলরের প্রতিনিধিরা। বৃহস্পতিবার দুয়ারে সরকার কর্মসূচি রয়েছে। তার আগে বুধবার বারাসাত পুরসভার ২৮ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় সকাল থেকেই প্রচার করা হয়। আর প্রচার করতে গিয়েই ঘটে বিপত্তি।
এলাকার তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকদের দাবি, বাপি দে নামে এক নির্দল সমর্থক প্রচারে বাঁধা দেয়। শুধু তাই নয়,আরও অভিযোগ যে,প্রচার গাড়ির ব্যানার,ফেস্টুন ছিঁড়ে দেওয়া হয় । উল্লেখ্য, এই ওয়ার্ডে বিগত নির্বাচনে জয়লাভ করে নির্দল প্রার্থী। বারাসাতের ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের বক্সিবাগান এলাকায় দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পের প্রচার চলছিল। অভিযোগে,সেই সময় ওই ওয়ার্ডের নির্দল কাউন্সিলরের অনুগামীরা চড়াও হয়। মারধর করে এবং মুখ্যমন্ত্রীর ছবি দেওয়া দুয়ারে সরকারের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে বলে অভিযোগ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়।

এবিষয়ে নির্দল কাউন্সিলরের চৈতালি ভট্টাচার্যের স্বামী সজল ভট্টাচার্য জানান, ‘দুয়ারে সরকার কর্মসূচি কাউন্সিলর নিজেই প্রচার করছেন তাহলে আলাদা করে কেন দুয়ারের সরকার কর্মসূচিতে বাধা দেবো আমরা? অন্য কোন বিষয়ে গন্ডগোল হয়ে থাকতে পারে। যা আমাদের জানা নেই’। এদিকে তৃণমূল নেতৃত্বের তরফে বারাসত থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।।


More Stories
মোথাবাড়ি কাণ্ডের অশান্তির নেপথ্য “খলনায়ক” মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার কিসের ইঙ্গিত?
বকেয়া ডিএ-র সুখবর : কবে টাকা পাবেন সরকারি কর্মী ও পেনশনভোগীরা?
এবারের ভোট বাংলার আত্মাকে রক্ষা করার লড়াই, ব্রিগেডে বললেন প্রধানমন্ত্রী