সময় কলকাতা ডেস্কঃ বাংলাদেশের সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণের এখনও পর্যন্ত ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবারও ডিপোর আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে না আসায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে স্থানীয়দের মধ্যে।ফের বিস্ফোরণ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে বলে স্থানীয়দের মত। যা হলে হলে প্রাণ বাঁচানো যাবে না অনেকেরই। প্রাণ বাঁচাতে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র পালাচ্ছেন এলাকাবাসীরা।

এদিন সকালে লক্ষ করা যায় বি এম কন্টেনার ডিপোর আশপাশের গ্রামগুলি থেকে আতঙ্কিত লোকজনের অনেকে আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। বেশির ভাগ পরিবারের ইতিমধ্যেই অভিভাবকরা তাদের শিশুদের তাদের আত্মীয় স্বজনদের বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে। ডিপো সংলগ্ন কেশবপুর, মোল্লাপাড়া-সহ অন্য গ্রামের বাসিন্দাদের অনেকেই এলাকা ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন।
উল্লেখ্য বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সীতাকুণ্ড শহরের একটি কনটেইনার স্টোরেজে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে রবিবার। এই বিস্ফোরণে প্রথম দিকে ১৯ জনের নিহতের খবর পাওয়া যায়, এবং প্রায় ১০০ জনের আহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া যায়। আহতদের মধ্যে ২০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক এবং তাদের শরীরের ৬০ থেকে ৯০ শতাংশ পুড়ে গেছে বলে খইবর পাওয়া যায় আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসা চলছিল। তাদের মধ্যে ৩০ জনের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে সেখানকার প্রশাসন। ডিপোতে প্রায় ৬০০ জন কর্মী কাজ করছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রের খবর ডিপোর কিছু পাত্রে রাসায়নিক পদার্থ মজুত ছিল, সেই রাসায়নিক দ্রব্যে এই আগুন লেগে বিস্ফোরণ ঘটে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান। যদিও আগুন লাগার কারণ এখনও অজানা।এখনও পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আসেনি। সকাল থেকে একাধিক দমকলের গাড়ি আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালাচ্ছেন।
পাশাপাশি রবিবারের বিস্ফোরণের জেরে আশেপাশের বেশ কয়েকটি বাড়ির জানালা উড়ে গিয়েছে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে ৪ কিমি দূরের এলাকা থেকে তা অনুভূত হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থলটি বাংলা দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর চট্টগ্রাম থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার দূরে । আহতদের মধ্যে যেমন ডিপোর কর্মীও আছেন তেমনই আছেন দমকল কর্মী ও পুলিশ।


More Stories
বিশ্বকাপের নতুন মারাদোনা কে?
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ গোল্ডেন বুটের দৌড়, মেসির প্রতিদ্বন্দ্বী কে?
সীমান্ত সমস্যা সমাধানে শুভেন্দু অধিকারীর ঘোষিত দ্রুত পদক্ষেপে কোন বার্তা?